মহেশখালীতে ডাকঘরের বেহালদশা

indexনিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজার জেলার মহেশখালি উপজেলার ডাকঘরের বেহালদশা কার্যক্রম চলছে । ঝুড়াতালিতে ভাংগা ঘরে ধীরগতিতে পরিচালিত হচ্ছে ডাক বিভাগের কার্যক্রম । ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ঘরে পরিচালিত সরকারের এ গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরের যাবতীয় ডকুমেন্ট বর্তমানে অরক্ষিত, কোন কাজ নেই বললেই চলে যদিও সরকারি দু’একটা চিঠি আদানপ্রদান ছাড়া।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,মহেশখালী উপজেলা সদরে অবস্থিত চৌরাস্তার মোড়ে, মার্কেটের পাশে পুরান থানার মাঠে, একটি ছোট আধাপাকা ঘরে পরিচালিত হচ্ছে উপজেলার প্রধান ডাকঘরের কার্যক্রম। ঘরটি এতই অগোছালো যে, এটিকে দেখলে বোঝাই যায় না এখানে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ঘরের ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, অফিস সংশ্লিষ্টরা কোন কাজে ব্যস্ত নেয়, চেয়ারে গা এলিয়ে ঘুম আর ঘুম, মাসের পর মাস এভাবেই কাজ চলতেছে ঘোরকঘাটা পোস্ট অফিসের। ফলে অনেকটা ঝুঁকির মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে এর কার্যক্রম।
সহকারী পোস্টমাস্টার বলেন, এখানে সাধারণ চিঠি, জিইপি বিলি, পার্সেল, বিপি পার্সেল, ইএমপিএস ইস্যু ও বিলি, মানিঅর্ডার ইস্যু-বিলি, ডাক জীবন বীমা, পোস্টাল অর্ডার, ডাকটিকিট ও রাজস্ব টিকিট বিক্রি করা হয়।তবে বর্তমানে কোন কাজ আসেনা, বেশি জোরে পোষ্ট অফিসে মোবাইলে টাকা লেনদেন হয় দু’একটা।
ঘোরকঘাটা পৌরসভার শিক্কিত নাগরিক মন্টুরাম জলদাশ জানান, সরকারি এসব অফিসকে অকার্যকর না রেখে, নতুন ডিজিটাল ভবন তৈরি করে কাজের গতি বাড়ানো দরকার।
ধারনা করা যায় বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকে মহেশখালীর ডাকঘরটি স্থাপন করা হলেও কোন সঃস্কার বা ভবন তৈরি হয়নি চরম অবহেলা।আজ পর্যন্ত নতুন আরেকটি ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ।এ ব্যাপারে পোস্টমাস্টার বলেন, ‘আমরা ঝুঁকির মধ্যে অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করছি। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হলে আমরা প্রয়োজনীয় চিঠি, পেপার ও সরকারি ডাক সদরের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেই।দ্রুত একটি ভবন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।’
মহেশখালি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ারুল নাসের বলেন, ‘এ বিষয়ে পোস্টমাস্টার আমাকে কিছুই জানাননি। এখন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।