নিরুপায় চট্টগ্রামের বাসিন্দা

3kn4medq-e1406908146403এ.এইচ.এম. সুমন চৌধুরী, চট্টগ্রাম: বিবিয়ানা থেকে গ্যাস না আসার কারণে নগরের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস-সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এতে করে ওই এলাকার বাসিন্দারা দুর্ভোগে পড়েছেন।
তার পাশাপাশি গ্যাসের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষমান চালকরাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত থেকেই চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন, ঝাউতলা, বাকলিয়া, জামালখান, রহমতগঞ্জসহ প্রত্যেক এলাকায় গ্যাস সরবরাহ নেই।তাছাড়া শান্তিবাগ, মুহুড়িপাড়া, ব্যাপারীপাড়া, হাউজিং স্টেট, বড়পোল, সোনালি আবাসিক, বসুন্ধরা আবাসিক, রঙ্গিপাড়া, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর মাইজপাড়া পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নেই খবর রয়েছে । এছাড়া কিছু কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ থাকলেও চাপ ছিল স্বাভাবিকের চেয়েও অনেক কম।

গ্যাস-সঙ্কটের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকার বাসাবাড়িতে চুলা জ্বলছে না। যার কারণে রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই অনেকে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন।

আবার অনেক সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের জন্য লম্বা লাইন দেখা গেছে।

অক্সিজেন এলাকার বাসিন্দা ইউনুস জানান, ‘ভোরে চুলায় দিয়াশলাই দিয়ে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করা হলে, গ্যাস সরবরাহ না থাকায় চুলা জ্বালানো সম্ভব হয়নি।’

কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে গ্যাসের চাহিদা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি। কিন্তু দৈনিক সরবরাহ করা হয় মাত্র ২৩০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। এ অবস্থায় অন্যান্য দিনের তুলনায় রোববার চট্টগ্রামে গ্যাস কম পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এ কারণে গ্যাসের সঙ্কট সৃষ্টি হয়।

কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার খন্দকার মতিউর রহমান বলেন, ‘বিবিয়ানা থেকে গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় চট্টগ্রামে গ্যাস সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে।’

রোববার কত মিলিয়ন ঘনফুট পাওয়া যাচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি প্রথমে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন। পরে বিষয়টি তুলে ধরা হলে বলেন, ‘আমি এ তথ্য দেব কেন? আপনি জনসংযোগ অফিসারের সাথে কথা বলুন, এড়িয়ে যান। মূলত গ্যাস সংকটের আশু সমাধান মিলবে কিনা তার কোনো সঠিক তথ্য কোনো কর্মকর্তা নিকট পাওয়া যায়নি। ’