ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নরেন্দ্র মোদির পদক্ষেপের প্রশংসার দাবিদার

111231_1প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি অনেক পত্র-পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অনেক পত্রিকায় স্মারক প্রকাশ করেছে।

নরেন্দ্র মোদির এ সফরকে ফলপ্রসূ উল্লেখ করে বলা যায় যে এতে করে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে স্থল সীমান্ত চুক্তির (এলবিএ) ফলে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর সমাধান হবে এবং ছিটমহলের বাসিন্দারা নাগরিকত্ব পাবেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে নৌ-সীমার বিষয়টি ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। মোদির ফলপ্রসূ সফরে এই আশার প্রদীপ জ্বলে উঠেছে যে, উপমহাদেশের ‘বার্লিন ওয়ালের’ পতন ঘটতে যাচ্ছে।

নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকে এ পর্যন্ত যতগুলো সফর হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করা যায়।

বাংলাদেশের সঙ্গে স্থল সীমান্ত চুক্তি (এলবিএ) হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে ৪১ বছরের বিরোধ এবং ছিটমহলের ৫০ হাজার বাসিন্দার রাষ্ট্রহীনতার ইতি ঘটেছে ।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরে ভারতীয় মালবাহী জাহাজ প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার ভূয়সীপ্রশংসা করা হয়েছে । এ ঘটনাকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির ব্যাপক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা যায়।

‘বর্তমানে ভারতীয় জাহাজ প্রথম সিঙ্গাপুর গিয়ে মালামাল খালাস করে তারপর বাংলাদেশে পাঠানো হয়। এটা করতে মোট ৪০ দিন সময় লাগতো। এখন চুক্তির ফলে লাগবে কেবল ৭ দিন।’

বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামীতে আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে নরেন্দ্র মোদির পদক্ষেপের প্রশংসার দাবিদার । কিন্তু বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলো এবং বিশ্লেষকগণ স্বাভাবিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ককে কি মেনে নিতে পারবে ।