এজাহার গ্রহণকারী সাক্ষ্য পুলিশের

ajm_nasrsm_banglanews24_625231387নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের নবনির্বাচিত মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিচারাধীন একটি হত্যাপ্রচেষ্টা মামলায় এজাহার গ্রহণকারী পুলিশ কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

১৯৯৩ সালের ২৪ জানুয়ারি নগরীর লালদীঘি ময়দানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় মারামারির ঘটনায় তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা সুফিয়ান সিদ্দিকী মামলাটি দায়ের করেছিলেন ।

সোমবার চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো.নূরুল হুদা’র আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মেয়র আদালতে হাজির ছিলেন।

আদালতে সাক্ষ্যপ্রদানকারী কর্মকর্তা হলেন, কোতয়ালি থানার তৎকালীন রেকর্ড অফিসার এস আই খালেদ হোসেন।

চট্টগ্রামের জেলা পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম জানান, আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে খালেদ হোসেন মামলা গ্রহণ, আসামিদের নাম রেকর্ড করা, মামলার নম্বর দেয়াসহ বিস্তারিত বিবরণ দেন।

এসময় ছয়জন আসামির আইনজীবী তাকে জেরা করেন। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলার অভিযোগ গঠনের সময় অনুপস্থিত তিন সাক্ষীকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুনরায় পড়ে শোনায়।

মামলার আসামিদের মধ্যে ফেনীর আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারি সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালতে হাজির ছিলেন না। তার পক্ষে পরবর্তীতে সাক্ষীকে জেরার আবেদন করা হয়েছে বলে পিপি জানান।

৯ ও ১০ জুন পুনরায় এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারিত আছে।

এর আগে গত ২৮ মে মামলার বাদিসহ পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। সাক্ষ্যদাতারা হলেন, মামলার বাদি সুফিয়ান সিদ্দিকী, তৎকালীন কনস্টেবল আজাদ, প্রত্যক্ষদর্শী আতিকুর রহমান, মো.মঈনুদ্দিন এবং রবিউল হক।

মামলার আসামি হিসেবে মেয়র ছাড়াও আছেন আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারি, চসিকের কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনীসহ সাতজন। আসামিরা বর্তমানে জামিনে আছেন।

এ ঘটনায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে আ জ ম নাছির উদ্দিনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সুফিয়ান। এ মামলার ১২ জনের মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য নেন আদালত।