কোকেন আমদানির মামলায় সোহেল ৫ দিনের রিমান্ডে

ctg-mostafa-sohel-e1435658762499

এ.এইচ.এম. সুমন,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে বন্দরে জব্দকৃত সানফ্লাওয়ার তেলের ড্রামে কোকেন সনাক্ত হওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ‘আমদানিকারক’ প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী ট্রেডার্সের সহযোগি প্রতিষ্ঠান প্রাইম হ্যাচারীর ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফরিদ আলম এ আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে সোমবার পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে সোহেলকে কোকেন আমদানির মামলায় আদালত তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন ।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান বলেন, বন্দর থানার দায়েরকৃত একটি মামলায় সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

সিএমপি কমিশনার মো. আব্দুল জলিল মন্ডলের নির্দেশে মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

রোববার (২৮ জুন) নগরীর বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক ওসমান গনি বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ এর ১(খ) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদকে আসামি করা হয়। সোহেল তাদের প্রতিষ্ঠান প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক।

কোকেন সন্দেহে গত ৬ জুন রাতে একটি কনটেইনার বন্দরে সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সান ফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। তেলের নমুনা প্রাথমিক পরীক্ষা করে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলে উন্নত ল্যাবে কেমিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

শনিবার (২৭ জুন) শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর জানায়, কেমিক্যাল পরীক্ষার পর একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

চালানটি নগরীর খাতুনগঞ্জের খান জাহান আলী লিমিটেডের নামে বন্দরে আনা হয়। তবে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ দাবি করে আসছেন যে এ ধরণের চালান আমদানির বিষয়ে তিনি অবগত নন ।

তবে কনটেইনারটি সিলগালা করার আগে নগর গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোলাম মোস্তফা সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।