‘জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু দূরের কথা, ‍জাতীয় পতাকাই উড়ানো হতনা’

'জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু দূরের কথা, ‍জাতীয় পতাকাই উড়ানো হতনা'
‘জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু দূরের কথা, ‍জাতীয় পতাকাই উড়ানো হতনা’

নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আমরা বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখি। কিন্তু জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু দূরের কথা, একসময় ‍জাতীয় পতাকাই উড়ানো হতনা। ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর পালন করা হতনা। আমরা বিজয় দিবসে, স্বাধীনতা দিবসে গিয়ে জবরদস্তি করে জাতীয় পতাকা তুলতাম। শোক দিবসে কালো পতাকা তুলতাম। ’ এমন মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো.শফিকুর রহমান। ।

শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাব ২৯ বছর ধরে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবির এবং তাদের দোসর বিএনপির দখলে ছিল। এটা ফেডারেল কিংবা জাতীয় দূরের কথা, এটা আদৌ প্রেসক্লাব ছিল কিনা সেটা নিয়েই সন্দেহ ছিল। আসলে এটা জাতীয় প্রেসক্লাব নয়, এটা ছিল রাজনীতির ক্ষেত্র।

তিনি বলেন, রাতারাতি তারা তাদের লোকজনকে মেম্বারশিপ দিয়েছে, নিজেদের ভোট বাড়িয়েছে। অথচ আমাদের একজনকেও মেম্বারশিপ দেয়নাই। এজন্য আমরা পাশ করতে পারিনাই। এখন আমরা নেতৃত্বে এসেছি। অনেকে বলছেন, আমরা অগণতান্ত্রিকভাবে এসেছি। এটা ঠিক নয়। অগণতান্ত্রিক শব্দটি দু:খজনক।

‘তারাই (প্রেসক্লাবের আগের কমিটি) বার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাচনের তারিখ ঠিক করেছে। আমরা প্যানেল দিয়েছি। আমরা নেতৃত্ব পেয়েছি। তাদের মেয়াদ তো গত ডিসেম্বরেই শেষ। ’ বলেন শফিকুর।

তিনি বলেন, এখন দেশে অনেক প্রেসক্লাব। জেলায় একটা, দুইটা আছে। উপজেলায় এমনকি ইউনিয়ন লেভেলে পর্যন্ত একটা, দুইটা, তিনটা প্রেসক্লাব আছে।

শফিকুর বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবকে নিয়ে আমরা মাষ্টারপ্ল্যান করেছি। ৩০ তলা ভবন বানানোর পরিকল্পনা করেছি।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবং পিআইবি’র চেয়ারম্যান ও সমকাল সম্পাদক গোলাম সরওয়ার।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ারের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, পূর্বকোণ সম্পাদক তসলিম উদ্দিন চৌধুরী, সিইউজে’র সভাপতি এজাজ ইউসুফী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, সিইউজে’র সাবেক সভাপতি শহীদ উল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও নাজিমউদ্দিন শ্যামল, সিইউজে’র যুগ্ম সম্পাদক ম শামসুল ইসলাম, সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সভাপতি মঈনুদ্দিন কাদেরি শওকত।

সভায় বিএফইউজে’র সাবেক মহাসচিব মোল্লা জালাল এবং ডিইউজে’র সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ উপস্থিত ছিলেন।