মর্নিংসান২৪ডটকম Date:০২-০৯-২০১৪ Time:৭:৩৪ অপরাহ্ণ


images
নজরুল ইসলাম, স্টাফ রির্পোটার॥ ধর্ম মন্ত্রনালয়ের পরিচালতি মসজিদ ভিত্তিক গণশিা ও প্রাক প্রাথমিক শিা কার্যক্রম প্রকল্প ইসলামী ফাউন্ডেশন (ইফা) চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের অধিনে বিভিন্ন জেলা উপজেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্ণীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ ইসলামী ফাইন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিস সূত্রে তথ্য মতে চট্টগ্রাম জেলাতে ইসলামী ফাউন্ডেশন (ইফা) মসজিদ ভিত্তিক প্রাক প্রথামিক গণ শিা ও নুরানী মাদ্রাসা বা কোরান শিা কেন্দ্র ও বয়স্ক শিা কেন্দ্রসহ মোট ১ হাজার ৪শ ৮০টি কেন্দ্র রয়েছে এর মধ্যে রির্সোস সেন্টার ৩২টি, মডেল পাবলিক লাইব্রেরী ১৬টি, বয়স্ক শিা কেন্দ্র ১২টি, কোরান শিা কেন্দ্র নুরানী মাদ্রাসা ৪০৬টি, প্রাক প্রাথমিক গণ শিা কেন্দ্র ১ হাজার ১৪টি। অভিযোগ রয়েছে উপজেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা এসব কেন্দ্রের শিক নিয়োগের েেত্র মোট অংকের ঘুষ নিয়ে জামায়াত-শিবির,হেফাজত, কওমী অনুসারীদের শিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।এ ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা কেন্দ্রের নিয়োগ দেয়া শিকদের সাথে যোগসাজশে মাসের পর মাস পাঠদান না করেই বেতন ভাতা উত্তলন করে যাচ্ছে। কেন্দ্র সুপারভাইজার, মডেল কেয়ার টেয়ার, ও রিসোর্স সেন্টারের দায়িত্ব প্রাপ্তরা প্রতি মাসে এসব কেন্দ্রে পরির্দশন করার কথা থাকলেও একদিন তারা মাঠে যেতে দেখা যায় না। উপজেলায় দায়িত্ব প্রাপ্তদের মাসোহারা দিয়ে শিকরা মাসের পর মান পাঠদান না করিয়ে বেতন ভাতা উত্তোলন করেই যাচ্ছে। ইসলামী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম অঞ্চলে জামায়াত-শিবির হেফাজতের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের মত হয়ে সরকার বিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। উপজেলা পর্যায়ে সরকারীভাবে মডেল কেয়ার টেগার, সুপার ভাইজার, রির্সোস সেন্টারের দায়িত্ব প্রাপ্তরা এসব প্রতিষ্ঠান দেখাশুনা করার কথা থাকলেও চট্টগ্রামে কোথাও একটি প্রতিষ্ঠানও ঠিকমত চলছে না। পটিয়া পৌর সদরের গৌবিন্দারখীল এলাকায় একটি কেন্দ্রে ঘুষ না দেয়ায় নিয়োগ দেয়নি বলে অভিযোগ করেন মাওলানা আবদুল মাবুদ নামের এক শিক। পটিয়া সুচক্রদন্ডী এলাকার এক শিক দেলোযার হোসেন এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, ঘুষ দিয়ে কেন্দ্র শিক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরও বেতনের একটি অংশ তাদের না দেয়ায় আমার কয়েক মাস পর কেন্দ্র বাতিল করা হয়। বিষয়টি আমি তৎকালিন ডিজি ও ধর্ম মন্ত্রনালয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি। গৌবিন্দারখীল তালুকদতার বাড়ী এলাকার এক শিক মাওলানা আবু তাহের সাংবাদিকের সাথে কথা বলে তাদের গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয়ায় কেন্দ্র বাতিল করে দেয়া হয়। পরে চাপের মুখে পড়ে কেন্দ্রটি শিককের পদটিতে নিয়োগ দিতে বাধ্য হয়।
ইসলামী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের ফিন্ড অফিসার মাওলানা মফিজ উদ্দীন জানিয়েছেন, আমাদের মাঠ পর্যায়ে কোন কর্মকর্তা নিয়োগ বানিজ্য ও অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মাওলানা আবদুল হাই ভুইয়া বলেন, যে এলাকায় কোন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুনিদিষ্ঠ অভিযোগ পাওয়া গেলে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ কেন্দ্রের শিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রাথমিক ও গণ শি মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সামশুল হক চৌধুরী এমপি বলেছেন, মাঠ পর্যায়ে গণ শিা কার্যক্রম নিয়ে আমরা তেমন অবগত নই, আমার নির্বাচনী এলাকা পটিয়ায় গণ শিা কেন্দ্রের শিক ও দায়িত্ব প্রাপ্তদের সাথে কথা বলে ঠিক মত চলছে কিনা খবর নিয়ে কোন ধরনের অভিযোগ অনিয়ম পাওয়া গেলে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।