বহির্বিশ্বের কাছে একটি খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে সিভাসু

বহির্বিশ্বের কাছে একটি খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে সিভাসু
বহির্বিশ্বের কাছে একটি খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে সিভাসু

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বের কাছে একটি খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান।

শনিবার সকালে সিভাসুতে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ হচ্ছে গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান সৃষ্টি করা। বাংলাদেশে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় দরকার, যেখান থেকে আন্তর্জাতিক মানের গবেষক তৈরি হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণালব্ধ তথ্য-উপাত্ত জার্নাল প্রকাশের মাধ্যমে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। এতে দেশ এবং শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন।

তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীদেরকে শুধু একটি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করলে হবে না। দেশের ইতিহাস, কৃষ্টি-সংস্কৃতি এবং সমসাময়িক বর্হিবিশ্বক সম্পর্কে সবকিছু জানতে হবে। লাইব্রেরি ও ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে নিজেদের জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মঞ্জুরী কমিশনের আওতায় চলমান উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্প একটি সম্মানজনক প্রকল্পে পরিণত হয়েছে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত এ প্রকল্প সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাস্তবায়ন হবে। সরকার চাইলে বিশ্বব্যাংক পরবর্তীতে আরও বেশি অর্থ এখাতে বরাদ্দ করবে বলে আশা করা যায়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর একটি মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মো. কবিরুল ইসলাম খান।

অনুষ্ঠানের আগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে স্থাপিত ‘ক্লিনিক্যাল প্যাথলজি ল্যাবরেটরি’ উদ্বোধন করেন। এছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ল্যাবরেটরি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ভেটেরিনারি হাসপাতাল, এনাটমি মিউজিয়াম ও ফিশ মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সিকান্দর খান, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভাসিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরল আনোয়ার, দৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদক স্থপতি তসলিম উদ্দিন চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ডা. রায়হান ফারুক, রেজিস্ট্রার মীর্জা ফারুক ইমাম, বহিরাঙ্গণ কার্যক্রম পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক গৌতম কুমার দেবনাথ, অধ্যাপক ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র চন্দ, অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. এম এ মতিন প্রধান, ড. শারমিন চৌধুরী।