ঘরের মাঠে খেলা হলেও ‘ভাইকিংসে’ আগ্রহ নেই দর্শকদের

ঘরের মাঠে খেলা হলেও ‘ভাইকিংসে’ আগ্রহ নেই দর্শকদের
ঘরের মাঠে খেলা হলেও ‘ভাইকিংসে’ আগ্রহ নেই দর্শকদের
ঘরের মাঠে খেলা হলেও ‘ভাইকিংসে’ আগ্রহ নেই দর্শকদের

চট্টগ্রাম অফিস :
ঘরের মাঠে খেলা হলেও ভাইকিংস নিয়ে চট্টগ্রামের দর্শকদের মধ্যে তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছেনা।সোমবার বেলা দুইটায় চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম খেলায় বরিশাল বুলসের মুখোমুখি হবে চিটাগং ভাইকিংস।এর আগে বিপিএলের ঢাকা পর্বে চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতেই হেরেছে চিটাগং ভাইকিংস। চার ম্যাচের তিনটিতেই হার এবং চট্টগ্রামের দল হবার পরেও চট্টগ্রামের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে তেমন কোন ব্যবস্থা নেননি ভাইকিংসের মালিকরা।আর চট্টগ্রামের ক্রীয়ামোদিরা জানান ব্যবস্থা না নেয়ার কারণেই দলটির প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন ।

গত আসরে ‘চিটাগং কিংস’ নামে চট্টগ্রামের ফ্রাঞ্চাইজি বিপিএলে অংশগ্রহণ করলেও। এবারের আসরে দলটি মাঠে খেলছে ‘চট্টগ্রাম ভাইকিংস’ নামে। নামের সাথে সাথে মালিকানাতেও এসেছে পরিবর্তন। এবার দলটির মালিকানা পেয়েছেন ডিবিএল গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। মিডিয়া অ্যাম্বাসেডর হিসেবে রয়েছে চ্যানেল আই। মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়টিকেও খুব একটা ভালো ভাবে দেখছেনা এই অঞ্চলের মানুষ। এছাড়া চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্বকারী দলটির মালিক চট্টগ্রামের বাসিন্দা না হওয়ায়ও দর্শকদের কাছে টানছে না দলটি। এরপরও যারা দলটির সমর্থন দিতে মাঠে যাওয়ার কথা বলছেন, তারা শুধু যাবেন জাতীয় দলের ওপেনার চট্টগ্রামের বাসিন্দা তামিম ইকবালের জন্যই।

চট্টগ্রামে বরিশাল, রংপুর এবং সিলেটের বিপক্ষে পরপর ৩টি ম্যাচ খেলবে চিটাগং ভাইকিংস। বিপিএলে চট্টগ্রাম পর্বের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সোমবার বেলা দুইটায় বরিশাল বুলসের মুখোমুখি হবে ভাইকিংস। মঙ্গলবার (১লা ডিসেম্বর) মুখোমুখি হবে রংপুর রাইডার্সের। বুধবার (২রা ডিসেম্বর) সিলেট সুপারস্টার্স বনাম চিটাগাং ভাইকিংস এবং বৃহস্পতিবার (৩রা ডিসেম্বর) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স বনাম চিটাগং ভাইকিংসের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

এই পর্যন্ত দলটির পাওয়া বলতে ভাইকিংসের দলপতি চট্টগ্রামের ছেলে তামিম ইকবালেন পারফমেন্স। ঢাকার প্রথম পর্বের প্রথম ম্যাচেই রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে খেলেছেন ৫১ রানের ঝকঝকে ইনিংস। দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট সুপার স্টারসের বিপক্ষে খেলেন ৬৯ রানের আরেকটি নজরকাড়া ইনিংস। এরপর দু’ম্যাচে তার সংগ্রহ যথাক্রমে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ৩৩ ও ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ১। চার ম্যাচে তামিমের ব্যাটে এসেছে মোট ১৫৪ রান।

এদিকে চট্টগ্রামের এই দলটির প্রতি আগ্রহ নেই এ অঞ্চলের অধিকাংশ ক্রীড়া সাংবাদিকদেরও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকটা বিরক্তি প্রকাশ করেই চট্টগ্রামের সিনিয়র দুজন ক্রীড়া সাংবাদিক বলেন, ‘বিপিএল নিয়ে চট্টগ্রামের দলের জন্য গতবার যে আগ্রহ ছিল। এবার এর সিঁকি ফোটাও নেই। দর্শকতো দূরের কথা, দলটির সাথে চট্টগ্রামের বেশিরভাগ ক্রীড়া সাংবাদিকদেরও কোনো প্রকারের যোগাযোগ নেই। শুধুমাত্র কয়েকজন সাংবাদিক তাদের হয়ে সিন্ডিকেট ভিত্তিক কাজ করছেন। এখন মালিক পক্ষের উদ্দেশ্যে নিয়েই প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক।