চবির প্রাচীর নির্মাণ কার্যাদেশে ক্ষুব্ধ ছাত্র নেতারা

চবির প্রাচীর নির্মাণ কার্যাদেশে ক্ষুব্ধ ছাত্র নেতারা
চবির প্রাচীর নির্মাণ কার্যাদেশে ক্ষুব্ধ ছাত্র নেতারা

বাইজিদ ইমন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজের সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে আবেদন জমা দিয়েছে ম্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর মদদপুষ্ট বলেও জানা গেছে। সব কিছু বিবেচনায় থাকলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যাদেশ পাবে বলে জানা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর ৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বরাদ্ধ রেখে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের টেন্ডার আহ্বান করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যা জমাদানের শেষ তারিখ ১৮ অক্টোবর থাকলেও পরে তা পিছিয়ে ১৮ নভেম্বর করা হয়। সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজের জন্যে আহ্বান করা টেন্ডারে ম্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড সর্বনিম্ম দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ৯ কোটি ৭২ লাখ টাকার প্রস্তাব দিয়ে আবেদন করেছে।

এদিকে জামাতের প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেতে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ চবি শাখা ছাত্রলীগ ও প্রগতিশীল ছাত্র নেতারা। তাদের দাবি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কোন প্রতিষ্ঠানকে নির্মান কাজে দায়িত্ব না দিয়ে প্রশাসন জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ও তাদের মদদপুষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া আমরা কখনো মেনে নিতে পারব না।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগকে বার বার ফোন করলেও তিনি ফোন তোলেননি।

সূত্রে জানা যায়, ম্যাক ইঞ্জিনিয়ারিয়ং এর বর্তমান ব্যাবস্থাপনা পরিচালক প্রকোশলী মো: জাহেদ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) শাখা শিবিরের সাবেক সভাপতি। চবি ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতাসহ আওয়ামীলীগের লেবাসধারী ও জামাত-শিবিরের কয়েকজন শিক্ষক প্রতিষ্ঠানটিকে কাজের দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিগত সময়ে সাহায্য সহযোগিতা করেছে।

এ বিষয়ে চবি ভিসি প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধূরীর কাছে জানতে চাইলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ কামরুল হুদা বলেন, “প্রতিষ্ঠানটি জামাতের কিনা তা যাছাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। যেহেতু জামায়াতের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দেশব্যাপী নাশকতামূলক কর্মকান্ডে মদদ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাই কোনো জামায়াতী প্রতিষ্ঠানকে নির্মাণকাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে না।”