মর্নিংসান২৪ডটকম Date:১০-১২-২০১৫ Time:৩:০৬ অপরাহ্ণ


‘দেশরক্ষার পবিত্র দায়িত্ব আপনাদের ওপর ন্যস্ত’ শেখ হাসিনা

‘দেশরক্ষার পবিত্র দায়িত্ব আপনাদের ওপর ন্যস্ত’ শেখ হাসিনা

চট্টগ্রাম অফিস:
‘দেশরক্ষার পবিত্র দায়িত্ব আজ থেকে আপনাদের ওপর ন্যস্ত হচ্ছে । শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে। সেনাবাহিনীর সদস্যদের ত্যাগ ও সাহসী ভূমিকার ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বিরাজ করছে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। আপসহীন ও রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জন্ম লাভ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের সবার গর্ব ও অহংকারের প্রতিষ্ঠান ’কমিশনপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে এমনটাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বিএমএতে রাষ্ট্রপতি প্যারেড ডিসেম্বর-২০১৫ (পাসিং আউট) অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিএমএ ৭৩তম দীর্ঘমেয়াদি এবং ৪৪তম স্বল্পমেয়াদি কোর্সের ক্যাডেটদের সমাপনী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং সেরা ক্যাডেটদের পুরস্কৃত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে তিনি চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি মিলিটারি একাডেমিতে অবতরণ করেন।

কমিশনপ্রাপ্তদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মনে রাখতে হবে আপনারা এদেশের জনগণের সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার সমান অংশীদার। স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠনের জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সেনাবাহিনীর প্রথম ব্যাচ তার ট্রেনিং শেষ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতার কল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। আপনারা আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বৃহৎ কর্মজীবনে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন। আপনাদের ওপর ন্যস্ত হতে যাচ্ছে দেশমাতৃকার মহান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে আপনাদের সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকতে হবে।

2015_11_12_15_47_24_tG5ZwYwyiwBz9y3BjtSNmOwwHKw3sf_original

কমিশনপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,
সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুঃসময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময়ই বিপন্ন মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা ও আমাদের জাতীয় উন্নয়নে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার কাজেও সশস্ত্র বাহিনীর তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের নানা কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণ করছে। আমাদের লক্ষ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সারা বিশ্বে আরো মর্যাদাকর আসনে প্রতিষ্ঠিত করা। এ জন্য সেনাসদস্য ও কর্মকর্তাদেরই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সেনাবাহিনীকে অত্যাধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৭ বছরে আমাদের সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি গতিশীল, চৌকস এবং যুগোপযোগী বাহিনীতে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সেনাবাহিনীতে নতুন নতুন ডিভিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আমাদের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে সেনাবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর অবদানের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিশীল দেশ। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বাধিক শান্তিরক্ষী পাঠানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আমাদের সেনাবাহিনী দেশে ও বিদেশে অর্পিত দায়িত্ব পালনে স্বীয় দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের জন্য সব মহলের প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এ সুনাম অক্ষুণ্ন রেখে সেনাবাহিনীকে উত্তরোত্তর উন্নতির দিকে এগিয়ে নিতে হবে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জানবে, এটিই আমার প্রত্যাশা।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালের আগেই আমরা বাংলাদেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব।




বৈশাখী আমেজে শোকের ছায়া,সিদ্দিক আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত
দোহাজারী-গুনদুম প্রকল্পের টেন্ডার আহবান,এডিবির অর্থায়ন নিশ্চিত
গাউসুল আযম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ (কঃ)মাইজভান্ডারীর ১১১তম উরস শরিফ ১০ই মাঘ ২৪ জানুয়ারি
সঙ্গীতের দিকপাল গফুর হালীর জীবনাবসান
জাতীয় পর্যায়ে প্রথম হলেন সীতাকুন্ডের সিফাত: প্রধানমন্ত্রীর কাছ পদক গ্রহন
কে হবেন বুয়েটের উপাচার্য ?
‘স্নাইপার’ রাইফেল জেএমবির আস্তানায় এলো কিভাবে?
শীতের হাওয়া বাড়ার সাথে সাথে নির্বাচনী হাওয়াও জমে উঠেছে
বাংলাদেশ অনুকরণীয় দেশ