`জাতির কাছে খালেদা ও গয়েশ্বরকে ক্ষমা চাইতে হবে’

`জাতির কাছে খালেদা ও গয়েশ্বরকে ক্ষমা চাইতে হবে'
`জাতির কাছে খালেদা ও গয়েশ্বরকে ক্ষমা চাইতে হবে'
`জাতির কাছে খালেদা ও গয়েশ্বরকে ক্ষমা চাইতে হবে’

নিউজ ডেস্ক :
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ এনে গুলশান-২ চত্বরে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করছেন শহীদ পরিবারের সন্তানেরা। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে খালেদা জিয়ার বাসভবন ও কার্যালয় ঘেরাও করতে যাওয়ার কথা রয়েছেন চত্বরের অবস্থানকারীদের।

মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১০টা থেকে গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বরে সমবেত হতে থাকেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এতে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রি তারানা হালিম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক শাহরিয়ার কবিরসহ সরকার সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

সমাবেশে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিএনপির নেতারা যে কটূক্তি করছেন, এর জন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’

গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বর থেকে তারা খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ঘেরাওয়ের জন্য যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশি বাধার কারণে তারা গোলচত্বরে বসেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন,‘পুর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এখানে মুক্তিযোদ্ধা ও নির্মূল কমিটির নেতাকর্মী, শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তানরা এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করছেন। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশের ব্যারিকেডের কারণে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা খালেদা জিয়ার বাসভবন ঘেরাও করতে পারেননি। তারা গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।’