সারা দেশকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

 সারা দেশকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে:প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে:প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রির্পোট :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সারা দেশকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। পায়রা বন্দর ও মংলায় রেললাইন করা হবে।পাশাপাশি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেন করা হবে বলে।

শনিবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) ৫৬তম কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক বলেছিল যমুনায় রেললাইন হলে তা অর্থনৈতিভভাবে লাভজনক হবে না। কিন্তু আমি বলেছিলাম লাভজনক হবে। পরে রেললাইন লাভজনক হওয়ায় আমার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল বলে তারা মেনে নিয়েছে। এখন বিশ্বব্যাংক যমুনার উপর আরও একটি সেতু করার প্রস্তাব দিয়েছে।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেশি খরচে অপ্রয়োজনীয় কাজ করা হচ্ছে। কম খরচে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করুন। খরচ বাড়ানোর পরিকল্পনা না করে কমানোর পরিকল্পনা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আমরা আরো উন্নত করতে চাই, সমৃদ্ধ করতে চাই। আর দেশের এ উন্নয়নের জন্য তিনি প্রকৌশলীদের মেধা-দক্ষতাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে ত্যাগ। এ ত্যাগকে শ্রদ্ধা জানাই। দেশের সমৃদ্ধিতে এ ত্যাগের ইতিহাস আমাদের পথ দেখাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা উন্নত-সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়বো। অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে আমরা কাজ করছি। উন্নত-সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে যা কিছু করা দরকার, সরকার তা করবে।

প্রধানমন্ত্রী এসময় তার নিজের এলাকার জন্য বেশি বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন ও কাজ করার প্রবণতা কমানোর আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সব উপজেলাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, সবাই দাবি করেন। আমারও কিছু দাবি আছে। দেশের জন্য কাজ করুন।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের এক নম্বর সদস্য। তাছাড়া আমি একজন এমপিও। তাই নিজের এলাকায় আমার দায়িত্ব আমি পালন করি। সেখানে আমাকে খুশি করতে আলাদা করে কোনো প্রকল্প নেওয়ার দরকার নেই।

তিনি বলেন, এক সময় সবদিক দিয়ে বঞ্চিত ছিলাম। এখন সবাই দেওয়ার জন্য ব্যস্ত থাকেন। এখন তাই পাওয়ার যন্ত্রণায় আছি। প্রধানমন্ত্রীর এলাকা বলে সবকিছু দিতে হবে, এ ‘আদিখ্যেতা’ বন্ধ করতে হবে।