২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলী ইপিজেডে ফোম কারখানায় আগুন, আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে

Sunday, 29/05/2016 @ 12:48 pm

কর্ণফুলী ইপিজেডে ফোম কারখানায় আগুন, আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে

কর্ণফুলী ইপিজেডে ফোম কারখানায় আগুন, আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে

এ,এইচ,এম সুমন, চট্টগ্রাম :

নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (ইপিজেড) রিসোর্স ফোম অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিস লিমিটেডে লাগা আগুন প্রায় আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পর  নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

 রবিবার (২৯মে) ভোর ৫টা ৫০মিনিটে বিভিন্ন ধরনের ফোম তৈরির উপকরণ, কেমিক্যাল, কাগজের রোলসহ দাহ্য পদার্থে ভরা ওই কারখানায় আগুন লাগে। এ সময় ইপিজেড এলাকার বিভিন্ন কারখানার নিরাপত্তাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।এসময় শিল্পপুলিশ ও ইপিজেড থানার বিপুলসংখ্যক পুলিশ কারখানার আশপাশে অবস্থান নেয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) আব্দুল মালেক এর নেতৃত্বে ইপিজেড, বন্দর ও আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের আটটি গাড়ি ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং সকলের প্রচেষ্টায় সকাল পৌনে আটটায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এরপর আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত ও ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু হয়।

 ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মো. ইয়াহিয়া এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, কর্ণফুলী ইপিজেডের একটি ফোম কারখানায় আগুন লাগার ঘটানা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের (আগ্রাবাদ, বন্দর ও ইপিজেড) ৭টি গাড়ি প্রায় আড়াই ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানার ভেতরে ফোম ও কেমিক্যালে কাগজের রোলসহ দাহ্য পদার্থে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তবে ফায়ার সর্ভিস কর্মীদের সাহসী পদক্ষেপে বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছে ইপিজেড এলাকা।’

 তিনি আরো জানান, আগুনে ওই কারখানার কোটি টাকার কাগজের রোলসহ ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কারখানার একপাশের দেয়াল ধ্বসে গেছে। ভবনটির ছাদ ধ্বসে পড়ার ঝুকিতে রয়েছে। তবে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।কি পরিমানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতে পারে তা তদন্তের পরে জানা যাবে।

 আগুন নেভানোর অভিযানে নেতৃত্বে থাকা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক

(ডিএডি) আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, ১৮ নম্বর প্লটের কারখানাটি ছিল দাহ্য পদার্থে ভরা। তদুপরি পানির উৎস খুঁজে পেতে আমাদের বেগ পেতে হয়েছে। আমরা অনেক দূর থেকে পানি এনে প্রথম দিকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। এরপর আশপাশের কারখানাগুলোর রিজার্ভারের পানি ব্যবহারের সুযোগ পাই।