গুলশানে জিম্মি সঙ্কটের অবসান: ৬ সন্ত্রাসীসহ নিহত ২৮, জীবিত উদ্ধার ১৩

 সন্ত্রাসীসহ নিহত ২৮, জীবিত উদ্ধার ১৩ সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আসফাক চৌধুরী
সন্ত্রাসীসহ নিহত ২৮, জীবিত উদ্ধার ১৩ সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আসফাক চৌধুরী

ডেস্ক রিপোর্ট :

 রাজধানীর গুলশানে আর্টিজান রেস্তোরাঁয় যৌথ অভিযান শুরুর আগেই জঙ্গিরা ২০ বিদেশিকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর- (আইএসপিআর)। পরে সেনাকমান্ডোর নেতৃত্বে ১২-১৩ মিনিটের যৌথ অভিযান অপারেশন ‘থান্ডার বোল্ট’এ সঙ্কটের অবসান ঘটলো।

 যৌথ বাহিনীর ‘থান্ডারবোল্ট’অভিযানে ছয় জঙ্গিকে নির্মূল ও একজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকেও আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর ।

 এর আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই রেস্টুরেন্টে হামলা করে সন্ত্রাসীরা। যৌথ বাহিনীর অভিযানে সেখানে থেকে মোট ২০ বিদেশির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে রাতেই হাসপাতালে মারা গেছেন ওসি সালাউদ্দিন এবং ডিবির এসি রবিউল ইসলাম।

 সেনাবাহিনীর সদরদপ্তরে শনিবার বেলা দেড়টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আসফাক চৌধুরী।

 তিনি বলেন, সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে এ অপারেশন শুরু হয়। ১২ থেকে ১৩ মিনিটের মধ্যেই পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় যৌথবাহিনী। পুরো অভিযান শেষ হয় সকাল আটটায়। অভিযানে একজন জাপানি, দুই শ্রীলঙ্কানসহ মোট ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই গুরুতর আহত। তাদের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

 নাঈম আশফাক আরো বলেন, ঘটনা শুরুর পর পুলিশের দুই সাহসী কর্মকর্তা শাহাদাতবরণ করেন। আহত হন ২০ পুলিশ সদস্য। কিন্তু অভিযান শুরুর পর জঙ্গিদের হামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হয়নি। অভিযানে একজন জাপানি ও দুইজন শ্রীলঙ্কানসহ মোট ১৩জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের খোঁজ জানার জন্য ০১৭৬৯০১২৫২৪ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলেছেন এই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল।