জয় আর জয় কার সাধ্য ক্ষয়

এম. এ. খালেক খান

indexঐ জয় বাংলা, জয় পাকিস্তান,জয় এ কে খোন্দকার,
লুকানো আবেগের বহি প্রকাশে বিবেকটা ছারখার।
নিম্ন পদস্থ পাকিস্তানী সেনার স্ত্রী পুত্ররা হচ্ছে নেতা,
হাজার খুনের অধিকারে,হাতের মুঠে পুরো দেশটা।
হায়রে আফ্সোস,যুদ্ধকালীন সময়ে উপ-প্রধান,
তা হারাইয়া বুঝে,বঙ্গতে আমিই হতাম ভাগ্যবান।
বুঝিল দুই হাজার চৌদ্দসালে ভুলের মাসুল টেনে,
আত্ম তৃপ্তি রয়েগেল হৃদয়ে, জীবনের শেষকালে।
পাকসার জমিনের শপথ মনেতে এই অবস্থানে,
শপথ ভঙ্গে মোনাফেকের কশরত শোধ শেষক্ষণে।
জীবনে কত শপথ নিলো,কত ভাঙ্গলো কই কি হল,
শেষ ভাঙ্গনে পাইল কুল, হয়ে গেছে তওবা কবুল।
আগের প্রভুরা অন্ততঃ খুশী পকেটে আসিয়াছে রুপী,
দেশের মীরজাফরেরা মহানন্দে করছে লাফালাফি।
বুঝেছে বাঙ্গালীরা আজি,কাকের বাসায় কোকিলের ছা,
হাজারো চেষ্টাতে পুরাবেনা ঘষেটির শেষ ভরসাটি।
যার এক আঙ্গুলি সংকেতে,শত বীর পুরুষের জন্ম,
শত দুখ মনে, কেন বুঝে না বাঙ্গালী তাহারি মর্ম।
যার কন্ঠের বজ্রশক্তি জীবণ দিলেন লাখো বাঙ্গালী,
বনেছে মহাবীর,শত মন্ত্রী,জন্মেছে আজ লাখো ধনী।
চুত্যিয়া বাঙ্গাল,আজ উন্নতিতে হিমালয়ের চুড়ায়,
বিশ্বতে প্রতিষ্ঠিত করিয়া যে নেতা,দিয়েছে পৌঁছায়।
জাতির প্রতি মমত্ববোধ ভুলে অহমিকায় ডুবলে,
জনকের মর্যাদা কতযে বিশাল, দেখলনা ভেবে।
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অসামঞ্জস্য লেখার ইন্ধন প্রসঙ্গে,
বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা তথা বঙ্গ অস্বিকারে।
ঐতিহাসিক সত্যকে অবাস্তবে রূপায়ন কিযে চেষ্টা,
পাগলের প্রলাপে পুরাবে কি বাঙ্গালীর গুচ্ছিত তেষ্টা।
বঙ্গবন্ধুর ডাকে উপপ্রধান, এম.পি মন্ত্রী মর্যাদা,
করেছেন মহানন্দে ভোগ, উত্তরটা পাবে কি জনতা।
তেতাল্লিশ বছর খেয়েদেয়ে বিশ্রামে মহামূল্য বিছানা,
কিসের নেশা হারায়ে দিশা,সেথায় করলি পায়খানা।

অযাচিত মিথ্যার খেসারত একদিন জনতা নিবে,
জয়ের হবেনা ক্ষয় দিন দিন বারবে সত্য বাস্তবে।
পৃথিবীর ইতিহাসে চৌকষ ভাষনে জয় সত্য জয়,
অবিষ্মরনীয় যাঁর মনো জগতে তাহা হবেনা ক্ষয়।