মর্নিংসান২৪ডটকম Date:১৭-০৯-২০১৬ Time:৫:০৭ অপরাহ্ণ


প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের দেশ ভারত

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের দেশ ভারত

ফিচার ডেস্ক: সাংস্কৃতিক বৈচিত্র ভারতের ট্রেডমার্ক। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং তার নানা বৈচিত্রের জন্য ভারত সারা বিশ্বের কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যটকক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিক নিদর্শন ছাড়িয়ে থাকা এই অঞ্চলগুলির জীববৈচিত্রও চোখে পড়ার মতো। এই কারণে ইউনেস্কো একাধিক জায়গাকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজেরও মর্যাদা দিয়েছে।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেই সব অসাধারণ কিছু জায়গা।

 

 

pic-1আচানাকমার-অমরকন্টক পরিবেশ সংরক্ষণ- ইউনেস্কোর সংরক্ষিত আচানাকমার-অমরকন্টক দেশের অন্যতম সবুজ অঞ্চল। মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তীসগঢ়ের বিস্তির্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে অমরকন্টক বায়োস্ফিয়ার। একে ঘিরে বয়ে চলেছে নর্মদা, জহিলা ও শোন নদী।

 

 

 

pic-2আগাস্থামালাই বায়োস্ফিয়ার- কেরল ও তামিলনাড়ুর মধ্যস্থলে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার জুড়ে তৈরি হয়েছে আগাস্থামালাই জীবমণ্ডল। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজে জায়গা করে নেওয়া পশ্চিমঘাট পর্বতমালার একটি অংশে তৈরি এই আগাস্থামালাই বায়োস্ফিয়ারের রয়েছে প্রায় ২ হাজারের মতো ঔষধী গাছ। এছাড়া এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বিরল প্রজাতির জীবজন্তু। এখানে খোঁজ পেতে পারেন বাঘ, এশিয়ান হাতি, নিলগিরি তহর। তবে এখানকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় জিনিস হল আগাস্থামালাইয়ে থাকা পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন উপজাতি কানিকারানদের সঙ্গে সময় কাটানো।

pic-3পচমঢ়ি বায়োস্ফিয়ার- মধ্যপ্রদেশের সাতপুরা পর্বতের পচমঢ়ি জীবমণ্ডলকে ইউনেস্কো সংরক্ষণ করেছে ২০০৯ সালে। বোরি অভয়ারণ্য ও সাতপুরা ন্যাশনাল পার্কও রয়েছে এই আওতায়। পচমঢ়ির প্রধান আকর্ষণ হল পান্ডব গুহা। এই গুহার মোট পাঁচটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যার এক একটিতে নাকি পঞ্চ পান্ডব থেকেছেন। এই গুহার ভিতর ১০ হাজার বছরের পুরানো আঁকা ছবি দেখতে পাবেন।

 

 

 

pic-4পিন ভ্যালি ন্যাশনাল পার্ক, চন্দ্রাতাল, সার্চু এবং কিবের অভয়ারাণ্য- পশ্চিম হিমালয়ের বুকে ৭,৭৭০ বর্গ কিলোমিটার বিস্তির্ণ এই জায়গা শীতল মরুভূমি নামে পরিচিত। হিমাচল প্রদেশ ও পাকিস্তানের স্কারদু-র অন্তর্গত বরফ ঘেরা এই জায়গায় বিরল প্রজাতির স্নো লেপার্ডের দেখা পাওয়া যায়।

pic-5নিকোবর বায়োস্ফিয়ার- নিকোবর দ্বীপের ৮৫ শতাংশ জায়গাই সংরক্ষণ করা হয়েছে। এই সংরক্ষিত জায়গার ১২ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে গভীর অরণ্য। ক্যাম্পবেল বে ন্যাশনাল পার্ক এবং গালাথিয়া ন্যাশনাল পার্ক এই বায়োস্ফিয়ারের অন্তর্গত। রাধানগর বা হ্যাভলক দ্বীপ এখানকার জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত। এ ছাড়া বরাতং দ্বীপের লাইমস্টোন গুহা মন কাড়ে পর্যটকদের।