মর্নিংসান২৪ডটকম Date:১৭-১০-২০১৪ Time:৭:৪০ অপরাহ্ণ


www.bonikbarta.com-----চট্টগ্রাম অফিস : পিডিবি চট্টগ্রামের আরবান প্রকল্পের প্রায় ২০ কোটি টাকার মালামাল স্টোর থেকে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাকা থেকে দুই সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই ঘটনায় পিডিবি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় ষ্টোরের দায়িত্বে থাকা সাবেক ও বর্তমান দুই ভান্ডার রক্ষক একে অপরকে দোষারোপ করছেন। তদন্ত কমিটির কর্মকর্তারা বলছেন বিষয়টি তদন্তাধীন। যেই দোষী হবেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, আত্মসাৎকৃত মালামালের মধ্যে পোল এ টাইপ ১০০টি, পোল বি টাইপ ৩০০টি, ১১ কেভি ক্রস আরম ৬০০টি, গরজ বিট তার ৯ কিলোমিটার, এসি.এস.আর.ডগ তার ১৪ কিলোমিটার, ইনসুলেটেড ওয়াপস তার ৫ কিলোমিটার, ইনসুলেটেড জিনেট ১০ কিলোমিটার, বার্নিং ওয়ার ২০ কিলোমিটার, ১১ কেভি পিন ইন্সুলেটার ৬০০টি, পোল আর্তিং রড ৩০০টি, এন সিসিভি ৫০টি ও সিএলএফ এনার্জি বাল্ব ১ লাখসহ আরো বিপুল পরিমান মূল্যবান যন্ত্রাংশ মালামালও রয়েছে।
এই ব্যাপারে পিডিবির আরবার প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মোর্শেদ উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ষ্টোর থেকে কিছু মালামাল খোয়া যাওয়ার বিষয়ে ঢাকা থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ২ সদস্যের এই তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোতাহার সাহেব এবং প্রকৌশলী ফারুক হোসেন। ষ্টোরের মালামালের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা আছে। এই কারনে তদন্ত চলছে। ষ্টোরের সাবেক ভান্ডার রক্ষক আমজাদ হোসেন এই মালামাল আত্মসাত করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছুটা সমস্যাতো রয়েছে। তবে তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে কারা করেছেন। আমরা এখন কারো বিরুদ্ধে কথা বলতে চাইনা। যেই দোষী হবেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, বছর খানেক আগে নানান অনিয়ম-দুর্নীতির কারনে পিডিবি চট্টগ্রামের আরবান প্রকল্পের তখনকার ভান্ডার রক্ষক থেকে আমজাদ হোসেনকে ফৌজদারহাটে বদলী করা হয়। উনি যাওয়ার সময় নুর উল্লাহ কবিরকে স্টোরের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়। আমজাদ হোসেনকে বদলীর পরপরই স্টোর থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার মতো মালামাল ঘায়েবের বিষয়টি জানাজানি হয়।
এই ব্যাপারে আমজাদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি যখন বদলী হয়ে ফৌজদার হাটে চলে আসি তখন বর্তমান ভান্ডার রক্ষক নুর উল্লাহ কবিরকে স্টোরের সব বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি। সে সব বুঝিয়ে নিয়ে আমাকে প্রত্যায়ন পত্র দিয়েছে। তাতে এই প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মোর্শেদ উদ্দিনও স্বাক্ষর করেছেন।
জানা গেছে, পিডিবির ইমারজেন্সি রিহ্যাবিলিটেশন এন্ড এক্সপানশন অব আরবান এরিয়াস পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস (ইআরইউএপিডিএস) প্রকল্পের ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জোনের ২১টি জেলা শহর ও ১১টি জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ করার জন্য প্রকল্পটি হাতে নেয় পিডিবি। ১৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ইমারজেন্সি রিহ্যাবিলিটেশন এন্ড এক্সপানশন অব আরবান এরিয়াস পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস (ইআরইউএপিডিএস) প্রকল্প হলেও প্রকল্পটিকে আরবান প্রকল্প নামেই পরিচিত।
প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জোনের ২১টি জেলা শহর ও ১১টি জেলার সকল গ্রাহককে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। এ জন্য এ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন, সাব-স্টেশন, ট্রান্সফরমার স্থাপন ও নবায়নের কাজ করার কথা ছিল।




চট্টগ্রামে স্বল্প পরিসরে ইভিএম ব্যবহার হবে: ইসি সচিব
চমেকের টয়লেট আধুনিকায়নে উদ্যোগ গ্রহণ চসিকের
ফটিকছড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
অসহায়দের জন্য হাটহাজারীতে প্রায় ৩ কোটি টাকার আবাসন নির্মাণ করেছে সরকার
রাউজানে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ১
কর্ণফুলীতে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
সীতাকুণ্ডে সৈকত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
কর্ণফুলী উপজেলার উন্নয়ন বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৩শ` কোটি টাকা
চট্টগ্রামের ২ লাখ ক্যান্সার রোগীর স্বপ্ন পূরণ