উচ্ছেদ হচ্ছে কর্ণফুলী শিশুপার্ক , হবে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার ও নভোথিয়েটার

উচ্ছেদ হচ্ছে কর্ণফুলী শিশুপার্ক , হবে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার ও নভোথিয়েটার
উচ্ছেদ হচ্ছে কর্ণফুলী শিশুপার্ক , হবে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার ও নভোথিয়েটার

নিজস্ব প্রতিনিধি , চট্টগ্রাম :

বন্দর নগরীতে কর্ণফুলী শিশুপার্ক উচ্ছেদ করে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার ও বঙ্গবন্ধু স্কয়ার নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন । আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠের ৮ একর জাযগা গণপূর্তের মালিকানাধীন বলে দাবি করেন তিনি ।

শনিবার সকালে নগরীর আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠে ৮ একর জায়গায় নির্মাণাধীন জাম্বুরি পার্ক নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা জানান । এসময় উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুচ গণি, গণপূর্ত সার্কেল-২ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও জাম্বুরি পার্কের প্রকল্প পরিচালক মিহির চক্রবর্তী, নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ নুরসহ গণপূর্ত বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মোশারফ হোসেন বলেন , আগ্রাবাদে গণপূর্তের মালিকানাধীন জাম্বুরি মাঠের ৮ একর জায়গা অবৈধভাবে দখল করে শিশুপার্ক তৈরি করা হয়েছে । পার্ক নির্মানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন আমাদের কোন অনুমতি নেয়নি । জায়গার মালিকের অনুমতি না নিয়ে তারা জোর করে ব্যবহার করছে । তাদের ইচ্ছে মতো শিশুপার্ক করেছে ।

মোশাররফ হোসেন আরো বলেন , দেশের সব বিভাগে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার নির্মাণ করা হবে । প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে আমরা সিটি করপোরেশনের শিশুপার্কটি উচ্ছেদ করে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার করবো সিদ্ধান্ত নিয়েছি । তার পাশেই হবে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার। শিশুদের জন্য থাকবে বিভিন্ন রাইড । আমরা বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারের কাজ শুরুর আগেই শিশুপার্ক উচ্ছেদ করে আমাদের জায়গা নিয়ে নেব ।

মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে সাধারণ মানুষের বিনামূল্যে প্রবেশযোগ্য কোন পার্ক নেই । আমরা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে নান্দনিক পার্কটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি । পার্কে প্রবেশের জন্য ৬টি গেট থাকবে। সিজিএস কলোনি ও বিএসটিআই অফিসের দিকে থাকবে দুটি গেট এবং কর্ণফুলী শিশুপার্ক ও আগ্রাবাদ সরকারি কার্যভবন-২ এর দিকে থাকবে একটি করে গেট। পুরো এলাকাটি সীমানা পিলার ও রড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে। থাকবে ১০ ফুট চওড়া ওয়াকওয়ে। এর মাঝখানে  ঘাস ও বিভিন্ন ধরনের গাছ থাকবে । ২০ ফুট পরপর পার্ককে সামনের দিকে রেখে বসানো হবে বসার জন্য বেঞ্চ। পার্কে আসা দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে ফুডকোড এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য থাকবে আলাদা টয়লেট সুবিধা । পুরো পার্কটি পরিচালনার জন্য একদিকে রাখা হবে অফিস। থাকছে পাম্প হাউস ও পাওয়ার স্টেশন । আগামী ৬ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন ।