মর্নিংসান২৪ডটকম Date:২৭-১২-২০১৬ Time:১২:৪৭ অপরাহ্ণ


চট্টগ্রামে ঝুঁকি নিয়ে ওঠা-নামা করছে বোয়িং-৭৭৭ এয়ারক্রাফট

চট্টগ্রামে ঝুঁকি নিয়ে ওঠা-নামা করছে বোয়িং-৭৭৭ এয়ারক্রাফট

সুমন চৌধুরী, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষয়ে যাওয়া রানওয়েতে ঝুঁকি নিয়ে বোয়িং-৭৭৭ এয়ারক্রাফট ওঠা-নামা করছে। চট্টগ্রাম থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দেশের অন্যতম বিমানবন্দর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।জানা গেছে,এই বিমানবন্দরের ২ হাজার ৯৪০ মিটার লম্বা বর্তমান রানওয়েটি ২০০০সালে নির্মিত হয়েছিল।১৭ বছর আগে নির্মিত হওয়া রানওয়েটির অ্যাসফল্ট ওভার-লে’র অনেক জায়গাই ক্ষয়ে গেছে।আর এই ক্ষয়ে যাওয়া রানওয়েতেই বোয়িং-৭৭৭ এয়ারক্রাফট ঝুঁকি নিয়ে ওঠানামা করছে। রানওয়ের অ্যাসফল্ট ওভারলে ক্ষয়ে যাওয়ার কারণে এই বিমানবন্দরে যাত্রী থাকলেও বোয়িং-৭৭৭ এয়ারক্রাফট পরিচালনা বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। বোয়িং-৭৭৭ কিংবা আরও ভারী এয়ারক্রাফটের ওঠা-নামা সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিমানবন্দরের ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৬০ বর্গ মিটার রানওয়ে ও টেক্সিওয়ের শক্তিশালীকরণ জরুরি।আর তা না হলে যে কোনো ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া বিমানবন্দরটির সাইড স্ট্রিপ গ্রেডিং এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থারও উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি এয়ার ফিল্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপন করা দরকার।

এ ব্যাপারে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর সূত্র জানায়,  প্রতিদিন ৩ থেকে ছয়টি বোয়িং-৭৭৭ ওঠা-নামা করে।তবে রানওয়ের কারণে আমাদের সীমিত আকারে বোয়িং-৭৭৭ পরিচালনা করতে হচ্ছে। তাই বিমানবন্দরের রানওয়ের স্বক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ট্যাক্সিওয়ে শক্তিশালী করা দরকার। সব মিলিয়ে রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ের শক্তিশালীকরণসহ অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধির জন্য ৫৬৮ কোটি ৫৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকার প্রয়োজন।