আবার তোলা হল লুবনার মরদেহ

আবার তোলা হল লুবনার মরদেহ
আবার তোলা হল লুবনার মরদেহ

চট্টগ্রাম অফিস :

প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর কবর থেকে তোলা হল গৃহবধু লুবনা আক্তারের মরদেহ।

নগরীর মিসকিন শাহ মাজার সংলগ্ন কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়। এসময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান, পিবিআই’র কর্মকর্তারাসহ লুবনার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর তা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে তার মরদেহ তোলা হয়। ২০১০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হালিশহর এলাকার বাসিন্দা লুবনার সাথে চকবাজার এলাকার মোহাম্মদ মাবুদুর রহমানের বিয়ে হয়। তাদের সাড়ে চার বয়সী ও দেড় বছর বয়সী দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

এর আগে ১৫ ডিসেম্বর লুবনার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তুলতে মহানগর হাকিম আদালত থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কাছে আদেশ আসে। এরই প্রেক্ষিতে মরদেহ কবর থেকে তোলা হলো। ময়নাতদন্ত শেষে পুনরায় একই স্থানে মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ১৬ জুলাই নগরীর চকবাজার থানার মনু মিয়াজি লেইন এলাকার শ্বশুর বাড়িতে অস্বাভাবিকভাবে মারা যান দুই শিশু কন্যার জননী লুবনা আক্তার।

গত ১৬ জুলাই নগরীর চকবাজার থানার মনু মিয়াজি লেইন এলাকার শ্বশুর বাড়িতে অস্বাভাবিকভাবে মারা যান দুই শিশু কন্যার জননী লুবনা আক্তার।লুবনার মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত কারণে হযেছে জানিয়েছিলেন তার শ্বশুরপক্ষের লোকজন। পরে তারা মরদেহ মিসকিন শাহ মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করেন। তবে যৌতুকের দাবিতে লুবনাকে তার শ্বশুরপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে বলে জানিয়েছেন লুবনার বড় ভাই মোহাম্মদ জরজীস শরীফ ।

কিন্তু মৃত্যুর কয়েক মাসের মাথায় গত ৬ নভেম্বর মহানগর হাকিম আদালতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ এনে মামলা করেন লুবনার মা রেহেনা সুলতানা। এতে লুবনার স্বামী মোহাম্মদ মাবুদুর রহমানসহ তার পরিবারের ৯ সদস্যকে আসামি করা হয়। পরে মামলাটি তদন্ত করার জন্য পিবিআইকে আদেশ দেন আদালত। মামলায় মোট ৬ জনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।