তিন পার্বত্য জেলায় বৈসাবি’র শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে

তিন পার্বত্য জেলায় বৈসাবি’র শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে
তিন পার্বত্য জেলায় বৈসাবি’র শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে

টিপু দাশ গুপ্ত :

বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মত পাহাড়ি পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের বৈসাবি’র শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।তবে আয়োজনের দিক থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের আয়োজন কিছুটা ভিন্ন। পার্বত্য চট্টগ্রামে ১১ ভাষাভাষী গোষ্ঠীর ১৩টি আদিবাসী সম্প্রদায় রয়েছে। প্রতি বছর এই দিনগুলোর জন্য অপেক্ষা করে থাকেন আদিবাসী তরুণীরা। এই দিন ফুল দিয়ে ঘর সাজানো হয় বলে একে বলা হয় ফুল বিজু।এর পরের দিন ঘরে ঘরে রান্না হয় ঐতিহ্যবাহী খাবার পাচন। একে মূল বিজু বলা হয়।

জানা গেছে, নতুন বছরকে বরণ করে নিতে চাকমারা বিজু, ত্রিপুরারা বৈসুক ও মারমারা সাংগ্রাই উৎসব পালন করে থাকে। কাপ্তাই হ্রদে ঐতিহ্যবাহী পোষাকে ফুল ভাসানোর মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে খেলার মাধ্যমে শেষ হবে পানি।

এদিকে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বৈসাবী উৎসব পালনে প্রস্তুত জেলা প্রশাসন। এবারের উৎসবে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তিন পার্বত্য জেলার আদিবাসীদের জন্য আলাদা দুদিন ছুটি ঘোষণা করা হয়। ছুটির ঘোষণাতে  বিজু, বৈসুক, সাংগ্রাই আদিবাসী উৎসব কমিটির সদস্য সচিব ইন্টু মনি তালুকদার বলেন, প্রতি বছর বিজু উৎসব উপলক্ষ্যে ছুটির জন্য আমরা আগের থেকে দাবি জানিয়ে আসছিলাম।আমাদের সরকার এ বছর থেকেই ওইটা শুরু করেছে।

এদিকে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বৈসাবী উৎসব পালনে প্রস্তুত জেলা প্রশাসন। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মো. মনজুরুল মান্নান বলেন, পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী সবার সঙ্গে সমন্বয় হয়েছে। অনুষ্ঠানগুলোতে আমরা যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবো।