মর্নিংসান২৪ডটকম Date:১০-০১-২০১৮ Time:৫:৫৭ অপরাহ্ণ


আজ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

নিউজ ডেস্ক: আজ ১০ জানুয়ারি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।

১৯৭২ সালের এইদিনে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে তার প্রিয় স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্ত স্বদেশ ভূমিতে ফিরে আসার ঘটনা ছিল বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের আরেক আশির্বাদ এবং বিজয়ের পূর্ণতা।

দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করেছিল বীর বাঙালি। যার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা, সেই অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন পাকিস্তানের কারাগারে অন্তরীণ। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশের মাটিতে পা রাখেন। সেই থেকে দিনটি পালিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে।

লেখক-সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবিব বলেন, পাকিস্তানের শাসকরা যেখানে তাকে হত্যার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল, সেখানে বঙ্গবন্ধুকে স্বসম্মানে ফিরে আসার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হয় তাদেরকেই। এ সিদ্ধান্তের পেছনে একদিকে ছিল প্রবল আন্তর্জাতিক চাপ, অন্যদিকে বাংলাদেশের মাটিতে পরাজিত এবং আত্মসমর্পণকৃত পাকিস্তানি সৈন্যদের নিরাপদে স্বদেশে ফিরিয়ে নেওয়ার তাগিদ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশে ফেরার দিনটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে বাংলাদেশে। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও দলের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

দিবসটি উপলক্ষে বুধবার ভোরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের কর্মসূচি।

সকাল ৭টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল সশস্ত্র সালাম জানায়।

পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে দলীয় সভাপতি হিসাবে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। এরপর আওয়ামী লীগের সহযোগী বিভিন্ন সংগঠন আলাদাভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর শুরু হয় বর্বর হামলা শুরু করে পাকিস্তানী বাহিনী। ওই রাতেই বঙ্গবন্ধুকে তার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাসভবন থেকে পাকিস্তানি সেনারা আটক করে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়।

পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগ মুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান বঙ্গবন্ধু। তার ডাকে বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তি সংগ্রামে। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।




১০ আগস্টের মধ্যে মহাসড়ক মেরামতের নির্দেশ সেতুমন্ত্রীর
খালেদা জিয়ার ২২ জুলাই পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর
গণতন্ত্র না থাকলে সরকারকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালাজ করতে পারতোনা বিএনপি : কাদের
মন্ত্রিসভায় মানসিক স্বাস্থ্য আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন
চুক্তি অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা ও বৃদ্ধদের পাঁচ বছরের জন্য ভিসা দেবে ভারত
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ছাত্রলীগ করেনি : কাদের
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন এরশাদ
বাংলাদেশের মেয়ে ক্রিকেটাররা উন্মোচিত করেছে নতুন দিগন্ত
যে ওয়াদা দিয়েছি নিশ্চয় তা পূরণ করবো : শেখ হাসিনা