মর্নিংসান২৪ডটকম Date:১৭-০৩-২০১৮ Time:৫:৫৭ অপরাহ্ণ


‘আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাব’

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাব। জাতির পিতার আদর্শকে বুকে নিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। এ সুবর্ণজয়ন্তীতে আমাদের দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলব। যা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল। আমরা তা অর্জন করতে পারব।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে আয়োজিত শিশু সমাবেশে প্রধা্ন অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘‘আজকের শিশু আগামী দিনের কর্ণধার। তারাই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই আমি চাই- আমাদের দেশে কোনো পথশিশু থাকবে না। তারা পড়াশোনা করবে, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবে।’’

তিনি বলেন, জাতির পিতা শিশুদের খুব ভালো বাসতেন। আমাদের শিশুদের সকলকে মনযোগ দিয়ে পড়ালেখা করতে হবে। আমরা কম্পিউটার শিক্ষা দিচ্ছি। মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম করে দিচ্ছি। বিভিন্ন প্রকার বৃত্তি দিচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রাাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত দুই কোটি তিন লাখ শিক্ষার্থীকে আমরা বৃত্তি এবং উপবৃত্তি দিচ্ছি। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ৮০ হাজার বিশেষ শিক্ষার্থী বৃত্তি ও স্পেশাল ভাতা পাচ্ছে। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আমাদের শিশুরা যাতে উঠে দাঁড়াতে পারে ও মানুষের মত মানুষ হতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমার একমাত্র চাওয়া বাংলাদেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, তারা শান্তিতে ঘুমাতে পারবে, তিন বেলা পেটভরে খেতে পারবে। আজ আমাদের জন্য সুখবর আছে। জাতির পিতার জন্মদিনে এ সুখবরটা আপনাদের দিচ্ছি। আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো আগেই উন্নয়নশীল দেশ ছিল। আমরা তাদের থেকে পিছিয়ে ছিলাম।’’

মহিলা ও শিশু বিষযক মন্ত্রণালয় ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ শিশু সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শিশু আরাফাত হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। স্বাগত বক্তব্য দেয় শিশু প্রতিনিধি প্রিয়ন্তী সাহা পিউ। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম, এনডিসি, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার এম বজলুর করিম চৌধুরী, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরবকার এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে শিশু প্রতিনিধি সঞ্চিতা বিশ্বাস মনি ও এনামূল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার ছোট ভাইয়ের নামে ‘শেখ রাসেল’ ডাক টিকিট ও বিশেষ খাম অবমুক্ত করেন। এরপর তিনি ‘আমাদের ছোট্ট রাসেল সোনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

পরে তিনি দুজন দুস্থ মহিলার হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কারও বিতরণ করেন।




মন্ত্রিসভায় মানসিক স্বাস্থ্য আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন
চুক্তি অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা ও বৃদ্ধদের পাঁচ বছরের জন্য ভিসা দেবে ভারত
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ছাত্রলীগ করেনি : কাদের
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন এরশাদ
বাংলাদেশের মেয়ে ক্রিকেটাররা উন্মোচিত করেছে নতুন দিগন্ত
যে ওয়াদা দিয়েছি নিশ্চয় তা পূরণ করবো : শেখ হাসিনা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ঢাকায় যাচ্ছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং
প্রধানমন্ত্রীর সাথে পাবনায় যাচ্ছেন রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী