মর্নিংসান২৪ডটকম Date:১৩-০৫-২০১৮ Time:৬:২৭ অপরাহ্ণ


দেশের সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাসদস্যদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক: দেশের সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার সকালে দেশের বিভিন্ন সেনানিবাসে ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা সেনানিবাস থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এসব প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পবিত্র সংবিধান এবং দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ‘দেশের সম্পদ’ এবং দেশের মানুষের ‘ভরসা ও বিশ্বাসের মূর্ত প্রতীক। তাই পেশাদারিত্বের কাঙ্খিত মান অর্জনের জন্য আপনাদের সবাইকে পেশাগতভাবে দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ এবং কল্যাণময় জীবনের অধিকারী হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পরিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, কর্তব্যপরায়ণতা, দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে আপনাদের কর্তব্য সম্পাদনে একনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন বলে আমি আশা করি।’

তিনি দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনাকালীন যখনই প্রয়োজন হবে তখনই সেনাবাহিনী জনগণের পাশে এসে দাঁড়াবে, এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবেগপূর্ণ কণ্ঠে বলেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার দৃঢ় পারিবারিক বন্ধন রয়েছে, তার দুই ভাই শহীদ শেখ কামাল এবং শহীদ শেখ জামাল সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন।

তিনি বলেন, তার ছোট ভাই শেখ রাসেল পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চেয়েছিল। কাজেই পরিবারের সদস্য হিসেবে স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশের উপযোগী করে সেনাবাহিনীকে গড়ে তোলাকে আমি আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য বলেই মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উন্নত ও পেশাদার সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে ১৯৭৪ সালেই প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেছিলেন। তার নির্দেশেই ১৯৭২ সালে গড়ে তোলা হয় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি। এছাড়াও তিনি কম্বাইন্ড আর্মস স্কুল ও প্রতিটি কোরের জন্য ট্রেনিং সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।

তার সরকার সেনাবাহিনীর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা প্রয়োজনীয় সকল কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি মন্ত্রিপরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনকৃত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা সেনানিবাসে ক্যানসার সেন্টার, ফার্টিলিটি সেন্টার, এডিবল ওয়েল মিল এবং বিভিন্ন সেনানিবাসে সেনা সদস্যদের জন্য ব্যারাক, সেনা ছাউনি, প্রশিক্ষণ এবং আবাসন প্রকল্পসমূহ।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহম্মদ শফিউল হক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।




রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
ঈদযাত্রায় মানুষের কষ্ট সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে: কাদের
শুক্রবার কলকাতা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ট্রাফিক আইন শিক্ষার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর’
৭৫ হাজার টাকা দামের মোবাইল ফোন পাবেন মন্ত্রী-সচিবরা
বিএনপি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন চায় না: কাদের
২ জুন থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু
সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সাধ্যমতো কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে পুলিশকে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী