মর্নিংসান২৪ডটকম Date:০৯-০৮-২০১৮ Time:১২:১৮ অপরাহ্ণ


নিউজ ডেস্ক  ::    বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত চলছে। ওই তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কয়লা দুর্নীতির জন্য সরকার দায় নেবে না।

জানালেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত বুধবার সচিবালয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বিগত দিনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন তাদের পাশাপাশি অডিটে গাফিলতি থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। কয়লা দুর্নীতির জন্য সরকার দায় নেবে না।

তিনি বলেন, কয়লা গাবয়েব নিয়ে যে মামলা হয়েছে, সেটারও একটা তদন্ত চলছে। আমরা কোনও জায়গায় কোনো গাফিলতিকে প্রশ্রয় দেব না। কোনও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেব না। নসরুল হামিদ বলেন, আগামীতে দুর্নীতিমুক্ত জ্বালানি ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই। ভবিষ্যতের জন্য এটা আমাদের পথ নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।

ভবিষ্যতে যাতে এ রকম অঘটনা না ঘটে সেটারও একটা ব্যবস্থা নিচ্ছি। এটা তো হয়ে আসছে গত ১৩ বছর ধরে। শেখ হাসিনার সরকারের সময়েই কিন্তু এ দুর্নীতিগুলো ধরা পড়ছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর তদন্ত দল প্রাথমিক তদন্তে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া খনির ইয়ার্ডে এক লাখ ৪৪ হাজার টন কয়লার ঘাটতি পেয়েছে।

গায়েব হয়ে যাওয়া এই কয়লার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা। নসরুল হামিদ বলেন, চলতি মাসের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ হবে এবং বছর শেষে দেশব্যাপী কোনও গ্যাস সংকট থাকবে না।

তিন মাস ধরে আমরা চেষ্টা করছি এলএনজি আমাদের পাইপলাইনে সঞ্চলনের জন্য। বৈরি আবহাওয়ার জন্য পারা যায়নি। আমরা সেই সমস্যা মোটামুটি কাটিয়ে এসেছি।
মর্নিংসান/এসএ