মর্নিংসান২৪ডটকম Date:০৯-১০-২০১৮ Time:৬:৫১ অপরাহ্ণ


পণ্য পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদে সদ্য পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ সংশোধনসহ সাত দফা দাবিতে ডাকা পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশ ট্রাক কাভার্ড ভ্যান ড্রাইভার্স ইউনিয়নের সভাপতি তালুকদার মোহাম্মদ মনির এ কথা জানান।

এর আগে দুপুরে সমঝোতায় আসার লক্ষ্যে সচিবালয়ে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান চালক নেতাদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন মনির।

মনির বলেন, ‘বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে দাবিগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা কথা বলেছেন। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছি।’

মেনে নেওয়া দাবিগুলো সম্পর্কে মনির বলেন, আমাদের পুলিশের মহাপরিদর্শক নিশ্চিত করেছেন রাস্তায় কোনো পুলিশি হয়রানি ও অতিরিক্ত জরিমানা করা হবে না। তাছাড়া আমাদের মূল দাবি ছিলো, সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা কমাতে হবে। সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আলাপ করেছেন। এ জরিমানা ও প্রদত্ত শাস্তি অবিলম্বে কমানো হবে। তবে সে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বা আইন সংশোধন করতে কিছুদিন সময় লাগবে। তাই আমরা আমাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছি। তাছাড়া আমাদের ৭ দফার বাকি যে দাবিগুলো ছিলো তাও পূরণ করার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।

তবে বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা একটা অনানুষ্ঠানিক মিটিং। এখানে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না। আনুষ্ঠানিক মিটিং হবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে। এখানে আমি তাদের কথা শুনব। শুনে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীকে তা জানাব।’

এর আগে গত রোববার থেকে ৭ দফা দাবিতে ঢাকা বিভাগের ১৭ জেলায় সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের দাবিগুলো হচ্ছে- সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী সড়ক দুর্ঘটনায় ৩০২ ধারায় মামলা গ্রহণ না করা, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান বাতিল এবং জামিনযোগ্য ধারায় মামলা করা। সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সদস্য হাসমত আলীসহ যেসব মালিক-শ্রমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মুক্তি, সহজ শর্তে ভারি লাইসেন্স দেয়া, এর আগ পর্যন্ত হালকা বা মধ্যম লাইসেন্সের মাধ্যমে গাড়ি চালানোর সুযোগ দেয়া।

এছাড়া পুলিশি হয়রানি বন্ধ, গাড়ির কাগজপত্র চেকিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ, পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাক টার্মিনাল বা স্ট্যান্ড নির্মাণ, গাড়ির মডেল বাতিল করলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা।

জরিমানা মওকুফ করে গাড়ির কাগজপত্র ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া, সারাদেশে গাড়ির ওভারলোডিং বন্ধ করা, জনসাধারণের চলাচলের জন্য ফুটপাত, ওভারব্রিজ, আন্ডারপাস ও জেব্রাক্রসিং ব্যবহার নিশ্চিত এবং জনসচেতনতার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।




নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ ইসির
ভোটের তারিখ চূড়ান্ত, সন্ধ্যায় ভাষণ দিবেন সিইসি
শুকরানা মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী-আহমেদ শফী
‘জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে’ যুক্ত হয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়
ডিসেম্বরের মধ্যেই সংসদ নির্বাচন করতে চায় ইসি
টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
হাটহাজারীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু
এক বছরে ৩৩ শতাংশ আয় বেড়েছে স্থলবন্দরের
তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল নির্মাণের উদ্যোগ সরকারের