মর্নিংসান২৪ডটকম Date:২৬-১১-২০১৮ Time:৫:২৬ অপরাহ্ণ


হলি আর্টিজান মামলার বিচার শুরু

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে আদালত।

সোমবার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ চার্জ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে বিচারক আগামী ৩ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন। এ চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

এ হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ২১ জনের মধ্যে ১৩ জন বিভিন্ন সময়ে নিহত হয়েছেন, আর জীবিত আছেন আটজন। এর মধ্যে ছয়জন কারাগারে ও দুইজন পলাতক রয়েছেন।

চার্জ শুনানিকালে কারাগারে থাকা ৬ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বিচারক তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়া শোনান। তাদের কাছে জানতে চান তারা দোষী না নির্দোষ। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এরপর বিচারক তাদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (সংশোধনী ২০০৩) ৬(২)/৭/৮/৯/১০/১২/১৩ ধারায় চার্জ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ওই তারিখ ঠিক করে দেন।

পলাতক দুই আসামি হলেন- শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ। গত ৮ আগস্ট একই ট্রাইব্যুনাল পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আসামিরা হলেন-হামলার মূল সমন্বয়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ, ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবি নেতা হাদিসুর রহমান সাগর, নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ।

মামলাটিতে গত ৮ আগষ্ট আট আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণ করে আদালত। চার্জশিটে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষক হাসনাত রেজা করিমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এর আগে গত ২৩ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির মামলাটিতে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা করে এবং দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ছয় হামলাকারী নিহত হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে। এ ঘটনায় ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২৮ জন নিহত হন।

পাস্তুরিত দুধ নিয়ে কারসাজি আছে কি না দেখা উচিত: প্রধানমন্ত্রী» « চান্দগাঁওয়ে ডোমখালী খালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু» « পাকিস্তানে সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহত ১৭, আহত ১২» « র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষণকারীর নিহত» « গুজব রটনাকারীদের ধরিয়ে দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর» « লামায় বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ» « কক্সবাজার শহর রক্ষায় ঝাউবন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর» « দেশের সব উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর» « সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের আশানুরূপ উন্নতি» « প্রাইভেটকারে করে এসে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, ৩ জনকে গণপিটুনি» «