মর্নিংসান২৪ডটকম Date:১০-০২-২০১৯ Time:৬:২৪ অপরাহ্ণ


উপজেলা ভিত্তিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক: অবকাঠামো নির্মাণে শৃঙ্খলা আনতে উপজেলা ভিত্তিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের নির্দেশ দিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমি একটা নির্দেশ দিয়েছিলাম, সেটা সেভাবে কার্যকর হয়নি-উপজেলায় একটা মাস্টার প্ল্যান করে দেয়া। এখন কারও টাকা থাকলেই ধানি জমি নষ্ট করে দালান তুলছে। কোনো হিসেব-নিকেশ নেই। এখন থেকে এ বিষয়ে আমরা যদি একটা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করি। বিশেষ করে কোথায় বসতবাড়ি হবে। যেখানে ভিটেবাড়ি আছে সেটা আলাদা কথা। কিন্তু চট করে ফসলি জমি নিয়ে যখন বাড়িঘর করে ফেলে তখনই সমস্যা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন দেখা যাচ্ছে যে, যেখান থেকে দাবি করছে সেখানে রাস্তা হচ্ছে। সেটা না করে আমরা যদি এটা পরিকল্পিতভাবে করতে পারি, তবে বেশি মানুষ এটার সুবিধা পাবে। যেহেতু প্রচুর রাস্তা হয়ে গেছে আমাদের কিছু করার নেই, সবচেয়ে মুশকিল হচ্ছে রাস্তাগুলো রক্ষণাবেক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা না থাকলে এক সময় সেই রাস্তা আর কাজে লাগে না। এজন্য বলেছি, আমরা যদি তৃণমূল পর্যায়ে একটা মাস্টার প্ল্যান করে দেই তবে এখনও যেটুকু সময় আছে আমরা অনেক দ্রুত উন্নত করতে পারব।’

তিনি বলেন, আগামীতে আমাদের পরিকল্পনা হলো- প্রত্যেকটা স্তর থেকে বাজেট কীভাবে হবে। সেই প্রস্তুতি নিয়ে মূল বাজেট তৈরি করা হবে। যাতে প্রতিটি পয়সা সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে ভবিষ্যতে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। স্থানীয় সরকারগুলোকে আরও শক্তিশালী করা। বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া উন্নয়ন টেকসই হবে না। যারা অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে বারবার ক্ষমতায় এসেছিল তাদের মধ্যে দেশগড়ার চেতনটাই ছিল না। এর ফলে দেশটা অনেক পিছিয়ে ছিল বলতে গেলে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যতটুকু কাজ এগিয়ে ছিলাম, মাঝখানে ৭ বছরে আমরা ছিলাম না। এ সময়ে অনেক কিছু নষ্ট হয়ে যায়। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সময় হাতে পেয়েছিলাম বলে অনেকগুলো কাজ করতে পেরেছি, আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এইসব কাজ করতে গেলে আমাদের সমস্ত পরিকল্পনা নিতে হবে তৃণমূল পর্যায়ে। সেখানে যে মানুষগুলো বাস করে তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা, তাদের জীবন মান উন্নত করা। এটা করতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই আস্তে আস্তে সমস্ত দেশটাই উন্নত হবে। সেদিকে লক্ষ্য করে এই মন্ত্রণালয়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, বাজেটের সবচেয়ে বড় টাকার অংশটাই এই মন্ত্রণালয়ে আসে।’

সকাল ১০টার দিকে সচিবালয়ে আসলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

এসময় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, স্থানীয় সরকার সচিব এস এম গোলাম ফারুক, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিব মো. কামাল উদ্দিন তালুকদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




জার্মানির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২৪ ফেব্রুয়ারি কর্ণফুলী টানেল খনন কাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
বাড়লো হজের খরচ
সহকারী সচিব হলেন নন-ক্যাডার ৪৬ কর্মকর্তা
সংসদ উপনেতা হলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী
উপজেলা ভিত্তিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
‘উন্নয়নের ধারা গতিশীল রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন’
পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী