টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধ: নিহত ৭

শহিদুল ইসলাম: টেকনাফে গহীন পাহাড়ে র‌্যাবের সাথে গোলাগুলির ঘটনায় শীর্ষ ডাকাত জকির গ্রুপের ৭ সদস্য নিহত হয়েছে।

জানা যায় ২ মার্চ গভীর রাতে গোপন সংবাদের মাধ্যমে র‌্যাব জাতে পারে হ্নীলা ইউনিয়নের অন্তর্গত জাদীমুড়া জুম্মাপাড়া ২৬/২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন গহীন পাহাড়ী এলাকায় শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত জকিরসহ ডাকাত দলের একটি সংঘবদ্ধ চক্র অপরাধ সংঘটিত করার জন্য জাদীমুড়া জুম্মাপাড়া পাহাড়ী এলাকায় অবস্থান নিয়েছে।

উক্ত সংবাদের তথ্য অনুযায়ী ২ মার্চ (সোমবার) ভোর রাতের দিকে র‌্যাব-১৫ সদস্যদের একটি চৌকষ দল অভিযানে যায়।

ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ী গুলিবর্ষণ শুরু করে। গুলিবিনিময়ের এই ঘটনা ভোর রাত থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত চলতে থাকে।

উভয় পক্ষের গোলাগুলি থেমে যাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে পড়ে থাকতে দেখে র‌্যাব সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার সবাইকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহতরা সবাই শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত জকির গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বলে জানায় র‌্যাব। এদিকে ঘটনাস্থল তল্লাশী দেশী-বিদেশী ১০টি অস্ত্র,২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-১৫ টেকনাফ কোম্পানী কমান্ডার লে.মির্জা শাহেদ মাহতাব জানান, শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত জকির গ্রুপের সাথে র‌্যাবের গোলাগুলির ঘটনায় ডাকাত দলের ৭ সদস্য মারা গেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দেশীয় তৈরী ৭টি অস্ত্র,৩টি বিদেশী পিস্তল, ১২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১৩ রাউন্ড কার্তুজ।

তিনি আরো জানান, টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড় গুলোতে লুকিয়ে থাকা শীর্ষ ডাকাত গ্রুপের সদস্যদের নির্মূল করার জন্য র‌্যাবের চলমান এই সাঁড়াশী অভিযান অব্যাহত থাকবে।