যেভাবে তৈরি করবেন মিষ্টি পানের শরবত

ভারতবর্ষের প্রাচীন ভেষজ গ্রন্থ আয়ুর্বেদে নিঃশ্বাস দুর্গন্ধমুক্ত রাখার জন্য পান সেবনের উল্লেখ আছে। নিয়মিত পান সুপারি খেলে নিঃশ্বাসে কোনও দুর্গন্ধ থাকে না, হজমও ভালো হয়। এটি এ উপমহাদেশের এক প্রাচীন ধারণা ও লোক অভ্যাস।

এখনও কেউ কেউ ভালোভাবে মূত্র নিঃসরণের জন্য দুধের সাথে পানের রস ও চিনি মিশিয়ে পান করেন। এতে প্রস্রাবের ওই সমস্যাটা চলে যায় ও মূত্র নিঃসরণ ভালো হয় এবং স্নায়ু ও শরীরের দুর্বলতা থাকলে তাও দূর হয়।

দেহের ক্লান্তি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা কাটানোর জন্য কয়েকটা পান পাতার রস এক চামচ মধু দিয়ে খেলে তা টনিকের মতো কাজ করে। এছাড়া  হজমে সাহায্য, যৌন শক্তি বাড়ানোর জন্য, গ্যাস্ট্রিক আলসার নিরাময় করতে, জন্মরোধ করতে, উঁকুন দমন করতে, ফোঁড়া ফাটানোর কাজে, কান পাকা সারতে, চর্মরোগ দূর করতে, পাইওরিয়া নিরাময় করতে, নখকুনির কষ্ট সারা, আঁচিল, ডায়াবেটিস, সর্দি, মাথা ব্যথা দূর করাসহ অনেক কাজেই পান খান।

এছাড়া মেছতা দূর করে, শিশুদের পেট ব্যথা কমায়, গলাব্যথা দূর করে, দাঁতে ব্যথা কমায়, পোড়া সারায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পান।

তবে পানের আরও একটি জনপ্রিয় খাবার হলো- মিষ্টি পানের শরবত।

  • যেভাবে তৈরি করবেন

উপকরণ-

মিষ্টি পান পাতা কুচোনো ২ টি, গোলাপের পাপড়ি ১/২টি, গুঁড়ো চিনি ৪ চা চামচ, বরফ কুচি পরিমাণ মতো, বিট লবণ ১/২ চা চামচ , মৌরি ১ চা চামচ, এলাচ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ।

প্রণালী

সব উপকরণ আর ঠাণ্ডা মিশিয়ে মিক্সিং জারে নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। পছন্দমতো গ্লাসে ঢেলে ইচ্ছে মতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

সতর্কতা

যারা রুগ্ন, দুর্বল, ক্ষীণ স্বাস্থ্যের তারা পান খাবেন না। মূর্ছা রোগী, যক্ষ্মা রোগী ও যাদের চোখ উঠেছে তারও পান খাবেন না। অতিরিক্ত নেশার পর পান খাওয়া চলবে না।