আপনি মফিজ হন আর একপিছ হন এখান থেকে এখুনি চলে যান

খোকন মজুমদার রাজীব: কখন যে দুই পা, দুই হাত ওয়ালা এই অমানুষিক কর্মকান্ডের গুলোর মানুষের মন মানসিকতার পরিপূর্ণতা লাভ করবে তা ভেবেই উঠতে পারছিনা।

দেশে যখন করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষ আতংকিত, সরকার যখন গনজমায়েত করণে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন, মানুষ যখন পরিবার পরিজন নিয়ে কেউবা গ্রামে আবার কেউবা শহরে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন, ঠিক তখনই সড়কের ফুটপাত গুলো ফাঁকা পেয়ে কিছু ঠকবাজ কবিরাজরা কিছু সহজ সরল মানুষকে বোকা বানিয়ে গনজমায়েত সৃষ্টি করে তাদের ভন্ড কেরামতিতে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে সহজ সরল মানুষ গুলোর কাছ থেকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ২৩ মার্চ দুপুরে নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন জিপিও এর সামনে এক কবিরাজ কিছু মানুষের জমায়েত সৃষ্টি করে বিভিন্ন কৌশলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

বিষয়টি আমার নজরে পড়লে আমি সাথে সাথে প্রতিবাদ করে সে ভন্ড কবিরাজকে সেখান থেকে তুলে দিতে গেলে, সে আমাকে বলে আমি ফুটপাত হকার্স সমিতির সভাপতি মফিজ।

আমি বললাম আমি মফিজ হন আর এক পিছ হন আপনি এখান থেকে এখুনি চলে যাবেন, না হয় আমি পুলিশে দিতে বাধ্য হবো।তখন সে কোনো উপায় না দেখে চলে যেতে বাধ্য হয়।

পরবর্তীতে জিপিও হয়ে চট্টগ্রাম আদালতের দিকে উঠার সময় দেখি আরেক জন কবিরাজ পাথর, তাবিজ কবজ নিয়ে একই কায়দায় সেও তার বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। সাথে সাথে ওখান থেকে তাকেও তুলে দেয়।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো যে মানুষ গুলো জটলা সৃষ্টি করে এসব কবিরাজদের চোখ ধাঁধানো কর্মকান্ড গুলো উপভোগ করছেন তারা কি সচেতন নাগরিকের আওতায় পড়ে?

বর্তমান পরিস্থিতিতে নগর ফাঁকা থাকায় এসব বন্ড গুরু, কবিরাজ, ফুটপাতি পিএইচডি ধারী ডাক্তারদের নগর কিংবা গলি উপ-গলি সমূহে তাদের গনজমায়েত অবস্থায় দেখলে সমাজের, এলাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের এসব ভন্ডদের প্রতিহত করা প্রয়োজন।

শুধু করোনা ভাইরাস সংক্রমণে নয় এসব ভন্ড পীর, কবিরাজ, ডাক্তাররা স্বাভাবিক জীবনে যাপনেও সাধারণ নিরীহ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে।

বিশেষ করে নগরীর ফুটপাতে, মোড়ে, বিভিন্ন এলাকার গলিতে, যেখানে জনসাধারণের আনাগোনা বেশি সেখানে তারা তাদের এ কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে।

ছবির-১ নম্বর চিত্রটা কোতোয়ালি থানাধীন জিপিও এর সামনে এবং-২ নম্বর চিত্রটা চট্টগ্রাম আদালত পাড়া থেকে তোলা।