কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক নয়, খেলছে ডলফিন

নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে পর্যটকশূন্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কাছে ভেসে বেড়ানো ডলফিনের দুটি দলের একটিতে এক গোলাপি ডলফিনের দেখা মিলল। ২৩ মার্চ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্টের কাছে ডলফিনের দুটি দলকে খেলা করতে দেখে স্থানীয়রা।

সৈকতের কাছেই ডলফিনের আনাগোনার বিষয়টি জানতে পেরে নিজের কায়াক নিয়ে সাগরে যান সৈকত লাগোয়া সায়মন বিচ রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজনীতিবিদ মাহবুবুর রহমান রুহেল। তিনি বলেন, “কলাতলী পয়েন্টের কাছে ডলফিন দেখা গেছে বলে জানান আমাদের হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার। শুনে আমি নিজের কায়াকটি নিয়ে সাগরে যাই।

“কায়াক নিয়ে সেগুলোর কাছে যাওয়ার সময় দেখি তারা সুগন্ধা পয়েন্টের দিকে চলে যাচ্ছে। সেখানে আগে থেকে ডলফিনের আরেকটি দল ছিল। অনুসরণ করে সেগুলোর কাছে গিয়ে দেখতে পাই দুটি দলে সেখানে মোট ২০-২৫টা ডলফিন আছে।”

মাহবুবুর রহমান বলেন, “কিছুক্ষণ তাদের অনুসরণ করার পর দেখি তারা আমার কাছে কাছেই ঘুরছে। ওই দলে একটি গোলাপি ডলফিনকে দেখেছি। সেটি ছিল আকারে সব থেকে বড়। মাথাটা পুরো গোলাপি, শরীরের বেশিরভাগ সাদা ও ধুসর রঙের। “প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় আমি সেখানে ছিলাম। সেগুলো আমার আশেপাশেই ছিল। এরমধ্যে গোলাপি ডলফিনটিও কাছাকাছি ছিল।” ওই দিন ডলফিনদের একটি ভিডিও ধারণ করেন মাহবুবুর রহমান।

তার করা তিন মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের ভিডিওটির দুই মিনিট ২৫ সেকেন্ড ও দুই মিনিট ৩৫ সেকেন্ডের সময় একটি বড় আকারের গোলাপি ডলফিনকে দেখতে পাওয়া যায়। গোলাপি ডলফিনটি ছিল আকারে অন্যগুলোর তুলনায় বড়।

সৈকতে থাকা লাবণী পয়েন্ট সার্ফার ক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন ভুট্টো বলেন, ডলফিনের দুটো দল দেখেছি। একটা দলে একটু ছোট আকারের কালো রঙের ডলফিনগুলো ছিল। সেগুলো বাতাসে ডিগবাজি দিচ্ছিল।