মানুষের জীবন বাঁচাতে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে নগর ছাত্রলীগের আহবান

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু ও সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর এর পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত সিদ্বান্ত মোতাবেক সকল সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে অন্যান্য চিকিৎসা সেবার সাথে করোনাক্রান্ত রোগীর সেবাও নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অন্যথায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

গৃহীত সিদ্ধান্তের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাই এবং যে সকল হাসপাতাল, ডাক্তার, নার্স স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ করোনা যুদ্ধে অবতীর্ণ রয়েছেন তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

চিকিৎসা সেবা পাওয়া প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সরকার তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, সরকারি হাসপাতাল গুলোর পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে ও সেবা প্রদান সাপেক্ষে প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন।

কিন্ত, অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, প্রায়’শই চট্টগ্রাম মহানগরের আওতাধীন বেসরকারি হসপিটাল গুলোতে হয়রানির শিকার হয়ে আমাদের সাথে অসংখ্য মানুষ যোগাযোগ করছেন। চিকিৎসা সেবা না পেয়ে মৃত্যুর ঘটনা ইতিমধ্যেই পত্র পত্রিকার মাধ্যমে চট্টগ্রামের মানুষ দেখেছে।

একদিকে করোনা আতঙ্ক, তার সাথে যুক্ত হয়েছে সিজনাল জ্বর-স্বর্দি-কাঁশি এবং ডেঙ্গু। অপরদিকে চিকিৎসা সেবা না পাওয়ার উৎকন্ঠায় ধীরে ধীরে জনরোষ সৃষ্টি হচ্ছে। কঠিন এই দূর্যোগ মুহূর্তে, চিকিৎসা সেবা না দিয়ে জন অসন্তোষ সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার ষড়যন্ত্র দৃশ্যমান হচ্ছে।

বাংলাদেশের হৃদপিণ্ড খ্যাত এই চট্টগ্রামের চিকিৎসাসেবা নিয়ে একটি স্বার্থনেষী মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শত্রুতার সামিল। সিন্ডিকেট সৃষ্টি করে চিকিৎসা খাতকে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার বানাতে যারা মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাদের মুখোশ উম্মোচন করে বিচারের সম্মুখীন করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করছি তারই সাথে সকল হসপিটাল এবং ডাক্তারদের মানুষকে বাঁচাতে মানবিক হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ বিভিন্ন সরকারি/বেসরকারি হাসপাতাল গুলোর সেবা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং সমন্বয়ে নিজেদের সংযুক্ত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।