মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ওমর ফারুক চৌধুরী চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী

আগামী ডিসেম্বরে পৌরসভার ভোট গ্রহণ করার কথা থাকলেও ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) চাঁদপুর পৌরসভা সহ কয়েকটি পৌরসভার নির্বাচন গ্রহণ করেছেন। প্রায় আড়াইশ’র মতো পৌরসভায় ভোট হতে পারে। এই লক্ষ্যে ইসি সচিবালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে তিনশ’ পৌরসভা রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলার ‘ক’ শ্রেণীর পৌরসভা চন্দনাইশ। আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন এই পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে-ময়দানে নিজেদের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে লোকে মুখে গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে এবার তরুণ ও ত্যাগীদের মনোনয়ন দেয়া হবে। ইতিপূর্বে কয়েকটি পৌরসভা নির্বাচনে তরুণ প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

গাছবাড়ীয়া সরকারি কলেজ বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ এর সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এর সভাপতি, দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত,সাংগঠনিক দক্ষতা, বাচনভঙ্গি, রাজনৈতিক কৌশল ও সামাজিক কর্মকান্ডে যার অবাধ বিচরণ ও পৌরসভা চৌধুরী পাড়ার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে অন্যতম।

নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পৌরসভার নির্বাচন নিয়ে সম্ভাব্য সময় ঘোষণার পর থেকে জমে উঠেছে চন্দনাইশ পৌরসভার প্রতিটি এলাকা। মেয়র ও কাউন্সিলর পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান জানান দিতে ছুটে চলছেন অবিরত। নেতা-কর্মীদের নিয়ে চলছে উঠোন বৈঠক ও পথসভা। চলছে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা । প্রার্থী ও তাদের কর্মীদের এই পদচারণার কারণে উচ্ছ্বসিত পৌরবাসীও। তাদের মধ্যেও চলছে আলোচনা সমালোচনা। প্রার্থীদের ভালমন্দ নিয়ে নানা কথাবার্তা।

স্থানীয় সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তর পৌরসভায় নতুন পদ্ধতির এই নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের রাজনীতিতে এরই মধ্যে উৎসবের আমেজ বইতে শুরু করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার সাথে করা কথা বললে তারা জানান, “আমরা চাই তরুণদের হাত ধরেই এ পৌর এলাকার যথাযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হউক; আর এক্ষেত্রে যে নামটি সর্বাগ্রে সে পৌরসভার অন্যতম নেতা মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী।

আর এ বিষয়ে মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী জানান, ” আমি সেই বিএনপি -জামাত-এলডিপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় থেকে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত। স্বাধীনতা বিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে সব সময় রাজপথে ছিলাম। তাছাড়া আমার দীর্ঘ আশা আকাঙ্খা দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে চন্দনাইশ পৌরসভাকে একটি মডেল পৌরসভায় রূপান্তরিত করব৷ ”

তিনি আরো জানান, “আমি ত্যাগী তবে অভিমানী নই; পৌর বাসির কাছে থেকে তাদের সেবা করার জন্য আমি মনোনয়ন চাইছি। দলের নীতি নির্ধারকেরা আমাকে মনোনয়ন না দিলেও আমি নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে যাব।”

পুরো পৌর এলাকা জুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ কবে আসবে সেই ক্ষণ এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা।