বকশীবাজারে আ.লীগ-বিএনপি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

DMC2নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা অফিস : বকশীবাজার এলাকায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটেছে। বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। সংঘর্ষে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে বিএনপি দাবি করেছে, তাদের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে হাজির হয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে স্থাপিত বিশেষ আদালতে এই দুই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এ উপলক্ষে সেখানে জড়ো হতে থাকে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরই অংশ হিসেবে চানখাঁরপুর এলাকায় অবস্থান নেয়া প্রায় অর্ধশত ছাত্রদল নেতাকর্মী। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগের নেতৃত্বাধীন প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী। এতে দুপক্ষে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধে।সংঘর্ষ ক্রমেই ভয়াবহ রূপ ধারণ করে চানখাঁনপুর ছাড়িয়ে বকশীবাজার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, পলাশী মোড় ছড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। আহত বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন সৈয়দ আবেদীন প্রিন্স, সাইফ, আলা আমিন, আ ক ম মোজাম্মেল, জামিল, ইমারন, হাসান, রাজন, জালাল, আরেফিন ও মিল্লাদ। এর মধ্যে যুবদল কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ আবেদীন প্রিন্স গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খালেদা জিয়ার হাজিরাকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অস্থায়ী আদালতের চারপাশে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা। পুলিশ ওই এলাকার সড়কগুলোতে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। অন্যদিকে বিএনপি ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বকশীবাজার থেকে ফজলে রাব্বি হল পর্যন্ত রাস্তা আটকে মিছিল করে। সকাল ১০টার দিকে বকশীবাজার মোড়ে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে ছাত্রদলের চার কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এরা হলেন আরিফুল ইসলাম (২১), সুমন (২০), রেজোয়ান মন্ডল (১৯) ও আলামিন (২৪)