কালুরঘাট মরণফাঁদ

এস.এম. মাঈন উদ্দীন রুবেল

কালুরঘাট, মরণফাঁদ!
দিনের পর দিন, বোয়ালখালীবাসীর অভিশাপ
ট্রেনের চাপায় কত লোক কাটা পরে তৎক্ষনাৎ।

বোয়ালখালীবাসীর দুঃখ কালুরঘাট
এই কষ্ট লাগব হবে কবে নাগাদ ?
উন্নয়নের ছোঁয়ায় যায় পাল্টে
বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাট।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক প্রবেশ-দ্বার
কালুরঘাট সেতু আজো নির্মাণে অবহেলার।

একমুখী এই কালুরঘাট সেতুতে
যানযট অবিরাম লেগে থাকে।
দীর্ঘ যানযটে রোগী যন্ত্রণায় কাতরায়
কত মুমূর্ষু ও ডেলিভারী রোগীর প্রাণ যায়।
এ যেন এক মরার উপর খরার গাঁ
বোয়ালখালী আজো অজপাড়া গাঁ।

কখনো সেতুতে যানবাহন যদি বিকল হয়
অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত, যান চলাচল বন্ধ রয়।
জনগনের ভোগান্তির মাত্রা তীব্র হয়,
একটি নতুন সেতুই সবকিছুর সমাধান হয়।

সরকার প্রধান, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সু-দৃষ্টি হলে
কালুরঘাট সড়ক-সেতুর বাজেট একনেকে পাশ হবে,
দক্ষিণ চট্টগ্রাম-বোয়ালখালীবাসীর দুঃখ
অচিরেই লাগব হবে, অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠবে।

সরকার ও এমপি মহোদয়ের জোড়ালো ভূমিকায়
কোনো বাঁধা-বিঘ্নতায় সেতু যাবে-না আটকায়।
বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার,
জরাজীর্ণ সেতু ও ভাঙ্গা রাস্তা-ঘাট,
নবরূপে, নবসাজে নির্মাণ করে বর্তমান সরকার।
দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও বোয়ালখালীবাসীর দাবি একটাই
অচিরেই রেলকাম সড়ক- সেতুর বাস্তবায়ন চাই।

দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার রেললাইনের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে
কালুরঘাট রেলকাম সড়ক-সেতু নির্মাণের বিকল্প নাই।
তাই আমরা বারবার জোড় দাবি জানাই,
কালুরঘাট রেলকাম সড়ক-সেতুর দ্রুত বাস্তবায়ন চাই।

আর চাই-না ট্রেনে কাটাপরা ও মুমূর্ষু রোগীর লাশ!
এবার কালুরঘাট সেতুর বাজেট হবে একনেকে পাশ!