২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

লাগাতার অবরোধে চাক্তাই-খাতুন গঞ্জে দৈনিক ৯শ কোটি টাকার ক্ষতি

Monday, 12/01/2015 @ 3:46 pm

indexনিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম অফিস: সারাদেশের প্রধান পাইকারী পণ্য বানিজ্যিক কেন্দ্র চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ। বিএনপি জামায়তের লাগাতার অবরোধের কারনে দৈনিক ৯ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। জানাযায়, দেশের প্রধান পাইকারী পণ্য বানিজ্যিক কেন্দ্র চাক্তাই-খাতুন গঞ্জ। দেশে হঠাৎ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের অবরোধ কর্মসূচীর কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম অস্থবিরতা নেমে এসেছে। প্রতিদিন গড়ে ১২০০ কোটি টাকা থেকে ১১০০ কোটি টাকা স্বাভাবিক লেনদেন হলেও অবরোরের কারণে লেনদন হচ্ছে মাত্র ৩০০-২০০ কোটি টাকার মধ্যে। প্রতিদিন ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১২০০ কোটি টাকা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ীরা পণ্য কিনে অবরোধের কারণে ট্রাক চট্টগ্রামে প্রবেশ করতে না পারায় আটকে আছে। এ ছাড়াও প্রতিদিন মালামাল পরিবহনে ট্রাকের ভাড়া দ্বিগুন দিয়েও মালামাল চট্টগ্রামে আনতে পারছে না বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। এব্যাপারে চাক্তাই ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ ছগীর আহমদ চট্টগ্রাম নিউজ ডটকমকে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা লাগাতার অবরোধের কারণে দেশের প্রধান পাইকারী পন্য কেন্দ্র চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। টানা অবরোধের কারনে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ- আসাদগঞ্জ মিলে ৪৫ হাজার পাইকারী দোকানের মধ্যে ২৫ শতাংশ দোকানে মালামাল রয়েছে। বাকী ৭৫ শতাংশ পাইকারী দোকানে অবরোধের কারণে ব্যবসায়ীরা খারাপ সময় পার করছে। ব্যবসায়ীদের লেনদেনের পরিমান স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক ৯০০-১২০০ কোটি টাকা ছিল। অবরোধে লেনেদেনের সুচক কমে নেমে এসেছে মাত্র দৈনিক ২০০-৩০০ কোটি টাকার মধ্য। এতে প্রতিদিন ক্ষতি হচ্ছে ৯০০-১১০০ কোটি টাকা। মহাসড়কে প্রতিদিন গড়ে পণ্যবাহী ৪০ হাজার পরিবহন যাতায়ত করলেও পুলিশী পাহারায়ও যানবাহন যাতায়ত করছে মাত্র ১৮ হাজার। মাহিন ট্রেডার্সের মালিক মিজানুর রহমান জানান, লাগাতার অবরোধে কারণে চাক্তাই- খাতুনগঞ্জের ব্যবসায় চরম ধস নেমেছে । যেখানে পণ্য পরিবহনে ট্রাক ভাড়া আগে ছিল ৩০ হাজার টাকা, অবরোধের কারনে তা বড়ে দাড়িয়েছে ৬০ হাজার টাকার উপরে। বাড়তি টাকা দিয়েও পন্য পরিবহনে ট্রাক পাওয়া যাচ্ছে না। চাক্তাই খাতুন গঞ্জে ৬২টি আড়তের মধ্যে মালামাল রয়েছে মাত্র ২৫টি আড়তে। বাকী সবগুলো খালি পড়ে আছে। বর্তমান আড়তদারদের ৭৫ শতাংশ ব্যবসায় প্রায় বন্ধ রয়েছে।