ফটিকছড়িতে কুল চাষে সাফল্য

fatickchari(kool)pic 3মোঃ আবু মনসুর প্রতিনিধি ফটিকছড়ি : ফটিকছড়ি উপজেলায় কুল চাষে ঘটেছে সাফল্য। উপজেলার ১টি পৌরসভার ৮টি ইউনিয়নের কৃষকরা উন্নত জাতের কুল চাষ করে কৃষি ক্ষেত্রে এনে দিয়েছেন এ সাফল্য। কুল চাষে সাফল্য আসায় ,যারা কুলচাষ করেন না এমন কৃষকরাও এখন এ চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন।প্রয়োজনীয় সহযোগীতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তারাও এ চাষে ঝুঁকবেন বলে জানিয়েছেন।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস জানিয়েছে, চলতি মওসুমে ফটিকছড়ি উপজেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়ি পৌরসভায় ৫ হেক্টর, কাঞ্চননগর ইউনিয়নে ৩ হেক্টর, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে ৩ হেক্টর, পাইন্দং ইউনিয়নে ৩ হেক্টর, ভূজপুর ইউনিয়নে ২ হেক্টর, দাঁতমারা ইউনিয়নে ৩ হেক্টর, সুয়াবিল ইউনিয়নে ৪ হেক্টর ,সমিতিরহাট ৪হেক্টর ও নানুপুর ইউনিয়নে ৩ হেক্টর।জানা গেছে, এ অঞ্চলের মাটি কুল চাষের জন্য উপযোগী। সরকারি সহযোগীতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলেফটিকছড়ির কুল বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। ফলে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এখানকার মাটি দোÑআঁশ, যা কুল চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এ উপজেলায় বিঘা প্রতি ১২০ থেকে ১৩০ মণ কুল উৎপাদন হয়। অপরদিকে বর্তমান সময়ে প্রচলিত বিভিন্ন ফসল চাষে আর্থিকভাবে কৃষকরা বেশী লাভবান না হওয়ায় তারা ওই সব ফসলের বিকল্প হিসেবেবেছে নিয়েছেন কুল চাষ.হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের এক কৃষক জানান, চলতি মওসুমে ৮ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের আপেল কুল, বাউকুল ও থাইকুলের চাষ করেছেন। সব কুলে তিনি বিঘা প্রতি ১০০ থেকে ১২০ মণ হারে ফলন পাবেন। এ কুলবাগান রোপন ও পরিচর্যায় প্রতি বিঘা তার গত এক বছরে খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ -৩৫হাজার টাকা। ফলন ভাল হওয়ায় বিঘা প্রতি ৮৫Ñ৯০ হাজার টাকা করে কুল বিক্রি করা হচ্ছে।কাঞ্চননগর ইউনিয়নের কৃষক নাজিম উদ্দীন ইমু জানান, এবার ৬ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেছি। গত মওসুমের চেয়ে এবার ভালো ফলন হওয়ায় অত্যন্ত খুশি। সরকারি সুযোগÑসুবিধা ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সারÑবিষ সুবিধা ও আধুনিক চাষাবাদ সম্পর্কে ধারণা পেলে কুল চাষে আগামীতে আরো প্রসার ঘটবে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা লিটন দেব নাথ জানান, এবার ফটিকছড়ি উপজেলায় কুল চাষ গত বছরের চেয়ে ভালো হয়েছে। এখানকার কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন।