মর্নিংসান২৪ডটকম Date:২১-০২-২০১৫ Time:৭:১৯ অপরাহ্ণ


mail.google.comমোহাম্মদ ফেরদৌস খাঁন: একটা দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় মা পাখি তার ছানা আর ডিম গুলো ডানার নীচে লুকিয়ে নিরাপদে রেখে, মা পাখিটা পুরো দূর্যোগ মাথার উপর পার করে দেয়। আর যখন থেমে যায় ঝড় ঝন্টার প্রভাব, সূর্য্য ওঠে, মেঘের গর্জন আর নেই, ঠিক তখনই মা পাখিটা বাচ্চাদের নিরাপদে ডানা থেকে বের করে আবার তাদের জন্য খাদ্যের খোঁজে বেরিয়ে পরে, হায়রে মা, আমরা বাঙ্গালী জাতি আজো এরকম একটা মা পেলাম না।
সারা বিশ্বের এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত পর্যন্ত এখন যুদ্ধের দামামা বাজছে মানুষ নিজ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে, ছোট ছোট বাচ্চারা অহরহ আহত নিহত নিবৃত হচ্ছে,দেশে দেশে মানুষের মাঝে আতংক কখন কোন দেশে যুদ্ধ লেগে যায়। আর কিভাবে একটু নিরাপদ আশ্রয় খুজে পাবে ঠিক এরকম একটা সময়ে বাংলাদেশ নামের আমাদের ভুখন্ডটা যেন মহান আল্লাহ তালার অশেষ রহমতে মায়ের গর্ভে নিরাপদ আছে। আর এখানেই আমরা যদি নিজেরা (মেন মেইক ডিজাচতার) সৃষ্টি করে আমরা বাংলাদেশী তোমাদের সন্তানদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দাও, যেখান থেকে আর মাথা তুলে দাড়াবার সময় অনেক দুরে, চলে যাবে, আর তোমরা মায়েরা সে দূর্যোগ কালে ছানা পাখিদের বিপদে রেখে মুক্ত মনে ডানা মেলে খোলা আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে। আর তোমাদের বিচার হবে সেদিন নিজেদের আমলনামা হাতে নিয়ে উত্তপ্ত সূর্য্যরে নিচে কঠিন বিপদে মহা বিচারকের সামনে দাড়িয়ে যাবে। এদেশের ১৬ কোটি মানুষও থাকবে সেদিন তোমাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিতে। ভারতের স্বার্থে পাকিস্তানীদের দন্দ্বে এদেশের দামাল ছেলেদের যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদদের বুকের রক্তের বিনিময়ে নিয়ে এসেছে এদের স্বাধীনতা।
আর বাংলাদেশ নামের ভু-খন্ডটা আমরা বাঙ্গালী জাতির সার্বভোমত্বের সুগন্ধ চড়ায় সারা বিশ্বে। এদেশের মাটিতে একটা বোমাও ফাটানোর অধিকার কারো নেই। মানুষ মারার নয়া নয়া কৌশল করার অধিকার কারো নেই। ১৬ কোটি বাংলাদেশীকে লুট করার অন্যতম প্লাটফরম বাংলাদেশ পার্লামেন্ট নিজেদের লক্ষ্য এ চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে সবার। ইটালিতে আমি একদিন এক গির্জার পাশে বেঞ্চে বসে কিছু একটা ড্রিংস পান করছিলাম। হঠাৎ দুটা কবুতর গির্জার দেয়ালের ছিদ্র থেকে নেমে এসে, মা কবুতরটা প্রতি মিনিটে কয়েকটা ছোট ছোট ঝাউ গাছের পাতা নিয়ে সে দেয়ালের গর্তে রেখে আসছে ডিম পারার জন্য, বাসা বানাতে, আর পুরুষ কবুতরটা একটা পাতাও নিচ্ছে না, শুধু বেখেয়ালে বাক-বাকুম, বাক-বাকুম বলে পেছনে ঘুরছে। আল্লাহ ঠিক তখনই আমার অন্তরে ডেকে বললেন ঐ দেখ একটা সংসার করতে পুরুষের চেয়ে একটা নারীর ভূমিকা অনেক জরুরী। এবার দেখ তোমাদের অন্তরে কি আল্লাহ তোমাদের ১৬ কোটি
একদিন আমি চিড়িয়াখানায় বড় বাঘের খাচার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, ঠিক তখনই আল্লাহ আমার অন্তরে ডেকে বললেন দাড়াও, এখানে তোমার জ্ঞান অর্জনের বিষয় আছে, সাথে সাথে আমি দাঁড়িয়ে গেলাম দেখলাম ছোট ছোট শিশু কিশোররা বাঘটিকে ক্ষেপাবার জন্য ছোট ছোট ডিল মারছে বাহির থেকে। আর বাঘটা রাগে ভিষণ ফেটে পরছে, যদি একটা কাউকে ধরতে পারে তখনই যেন খেয়ে ফেলবে। এভাবে কিছুক্ষণ পর হঠাৎ দেখি বাঘটা মাটির দিকে কয়েক সেকেন্ট বা মিনিট চেয়ে রইল। পরে বাঘটা মাথা ঘুরিয়ে শান্ত মনে হেটে গিয়ে তার খাচার ভিতর বসে ঐ বাচ্চাদের দিকে চেয়ে চেয়ে গোঁফ নারছে আর বাচ্চারা নিরাস হয়ে ফিরে গেল। মায়ের জাতেরা চেয়ে দেখ এ বিশ্বের বেশি গোস্বা ওয়ালা প্রাণীটি যদি মাটির দিকে চেয়ে থেকে তার রাগ ঠান্ডা করতে পারে আমরা বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ হয়ে তা কেন পারব না? আমি সারা বিশ্ব ঘুরেছি শুধু সৃষ্টির কল্যাণ সাধনের জন্য মহান আল্লাহর জ্ঞান অর্জন করতে, অর্থের জন্য নয়। এদেশের অর্থনীতি উন্নয়নের জন্য, তা আমি করেছি দেড় যুগ ইউরোপ থেকে হাজার হাজার বাংলাদেশীর (চাকরী) অর্থ উপার্জনের তালা খুলে, এর মধ্যে যত বারই আসতে চেয়েছি, তত বারই স্বপ্নে দেখতাম মায়ের সাথে, বোনের সাথে বেঈমানি করছি, আর আল্লাহর নামে ধৈর্য ধরতাম, এখনও আমার যাওয়ার সময় হয়নি, আর যেদিন এদেশে আসলাম সেদিন মহা বিপদে এদেশ বিডিআর, আরমির যুদ্ধ, ঢাকা থেকে বাড়ী না এসে তিনদিন গোলাগুলির মধ্যে ঘুরে ঘুরে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি শান্তির জন্য। ভাল অন্তর, ত্যাগ স্বীকার, আর চোখের পানি আল্লাহর কাছে তা অনেক শান্তির নিদর্শন।
আমি করেছি তাই তোমরাও কর। এখনই সময় নিজেদের পরিবর্তন করা তোমাদের মধ্যে এ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিলোসফি গভেষক, আধ্যতিœ্যক সাধকগণ রয়েছেন যারা পুরা বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন, খোঁজ কর, ওনাদের পরামর্শ নাও।
স্বাধীনতার ৪২ বৎসরেও যারা এদেশে শাসন করেছে ছোট থেকে বড় পর্যন্ত একটি অবকাঠামোও শক্ত করে নাই। নর বরে অস্থায়ী, দেশের মানুষ বর্তমানে ভীষণ অস্থিরতার দিন পার করছে। কখন কি হয়।
কারা ভবিষ্যৎ শাসক আসবে? শান্তির পথ পারি দিয়ে আসবে, না, অশান্তির কঠিন পথ পারি দিয়ে আসবে, না তোমাদের নিজ সন্তানেরা এদেশের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ভাবছ, তাহলে এদেশের কপালে আরো অশান্তি আছে কারণ তোমাদের সন্তানদের এদেশের জন্য সুশিক্ষিত করে তোল নাই, তারা এদেশকে ভালবাসতে জানেনা। এদেশের ছোট পেশা রিক্সা ওয়ালা থেকে রাজনীতি শুরু করতে পারবে না, তোমরা তাদের তা শেখাও নাই, তোমরা তাদের এদেশকে ভালবাসার আগে নোংরা, বিলাস, অপ-সংস্কৃতিকে ভালবাসার শিক্ষা দিয়েছ, বই খাতা পড়ে জ্ঞানবান হওয়ার আগে কাগুজে নোটের ভালবাসা শিখিয়েছ। তোমরা কি চাও তোমাদের সন্তানদের এদেশকে ভালবাসতে শেখাতে? এদেশের মানুষকে ভালবাসতে
চলমান পাতা # (০৩)শেখাতে? সাধারণ জনগণের সাথে মিলেমিশে আর জনগণের সম্পদের প্রতি লোভি না হয়ে এদেশের নাগরিক হয়ে থাকতে? তাহলে ভুলে যাও ঝগড়া বিবাদ। ক্ষমার চোখে দেখ একে অন্যকে, নিয়ে আস তোমাদের সন্তানদের শেখাও ভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলতে। আমি সহযোগিতা করব আমার ধ্যান বলে, আল্লাহর হাতে তুলে দেব, এদেশের ভুখন্ড আর মানুষের সেবা করার জ্ঞান লাভ করতে। আর যদি এভাবে এদেশের মানুষকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিতে আর তোমাদের মত করে এসে ক্ষমতা দাও, তাহলে লুটেরা সুবিধাবাদিরা আরো বেশি সুযোগ খুজবে, এদেশের সম্পদ লুট করে অন্য দেশে জমা করবে, আর ১৬ কোটি মানুষ যদি কোন বিপর্যয়ের মধ্যে পরে, অন্য দেশের দাসত্ব করা ছাড়া উপায় নাই। আরো বলি বর্তমান বাংলাদেশে যতগুলি গড়ে যুব সমাজ আছে বিশ্বে আর কোথাও নাই। আর এই যুব সমাজকে যদি যুব সম্পদে পরিণত করতে চাই, তাহলে আমাদের যোগ্য নেতৃত্ব দরকার, এই নেতৃত্ব হতে হবে এদেশের মানুষের জন্য সুশিক্ষিত, এইদেশের মানুষের ভালবাসায় আন্দোলিত, আর এদেশের মানুষের সুখ দুঃখে বিশ্বস্থতার সহিত সাথে থাকার নেতৃত্ব। যেমন করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, জাতির দূর্যোগকালে সে মা পাখির মত সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালী সন্তানদের ডানার নিচে রেখে দিনের পর দিন তার অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে তাদের উজ্জীবিত করে সেই সাতই মার্চের এর ঐতিহাসিক আলোকিত শব্দাবলির ভাষণ সবার অন্তরে ধারণ করিয়ে ছেরে দিয়েছিলেন, যাও সন্তানরা ছিনিয়ে নিয়ে এস স্বাধীনতা, এদেশের মানুষের নেতৃত্বের স্বাধীনতা, এদেশের অর্থনীতি উন্নয়নের স্বাধীনতা, হ্যাঁ তারা পেরেছিলে। আজকের মায়েরা তোমরাওতো মুজিব সন্তান, আর তোমাদের সন্তানদের কেন ঐ রকম বক্তৃতা, শিখাও না না চাওনা না সে মজলুম নেতা মৌলানা ভাষানীর আলোকিক শক্তি সেই মুজিবের কণ্ঠে ধনিত হয়েছিল, সে রকম কাউকে পাওনা? যদি না পাও, আমি শিক্ষা দেব, আমি বাঁচাব তোমাদের সন্তানদের, দেশের একদিকে মরণ ছোবল নেশার টেবলেট অন্যদিকে থেকে পাগল বানানোর নেশার সিরাপ থেকে যোগ্য নেতার সুস্থ মগজ না থাকলে সেই স্বার্থন্বেষী নোংরা ও কুসংস্কার সম্বলিত দেশের বিদেশের চামচারা আমাদের উপর মোড়ল গিরি করবে। মায়েরা জান, যে বড় মোড়ল চামছাটা চামচামি করতে এদেশে পাঠানোর আগে তাকে অনেক মেঝে ঘসে আধা বাঙ্গালী বানিয়ে এদেশে পাঠিয়েছে, যেন এদেশের সব জায়গার বাঙ্গালীর মত করে মিশে চামচামি করে এদেশকে দাসত্বে পরিণত করতে, কেন কেন কেন? (অল ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড নো বডি হ্যাভ নট এ সিঙ্গেল ড্রপ অব ব্রেইন মোরদেন ইজ আদার)- বিশ্বের এই প্রান্ত হইতে ঐ প্রান্ত পর্যন্ত এমন কেউ নাই, যার মগজ একজনের চেয়ে অন্যের এক ফোটাও বেশী। আমরাই বিশ্বের সবচেয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা কারি, বুদ্ধিমান ও কর্মঠ আর সু-সংস্কৃতির অধিকারী জাতি, তাই যদি হয় তাহলে বিদেশি চামচারা এদেশের সবকিছুর উপর চামচামি করলে, আমাদের আর রইলকি?
জাতীয়তাবাদী দলকে বলছি, ইসলাম পন্ডিতদের যদি সাথে রাখতে যারা এদেশের স্বাধীনতা সার্বভোমত্বের বিশ্বাস করে আর এদেশকে ভালবাসে তাদের পরীক্ষা কর। তারা হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর অনুসারী কিনা? ভিন্ন মতালম্বি হলে না কর।মুজিব অনুসারিদের বলছি, পেশিশক্তি নয় মানবতার শক্তি নিয়ে কাজ করতে। নৈরাজ্য মনোভাব ত্যাগ করতে হবে, মিলেঝুলে ধর্ম মানে (নাম মাত্র মুসলিম কাজে অলস) অভ্যাস ত্যাগ করতে।
ইসলামী ভাইদের বলছি ইসলাম প্রচার করতে হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর আয়না হয়ে যান, ইসলামে মারামারি, কাটাকাটি দিয়ে হয় না, হেকমত এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি, এমন নেতা নির্ধারণ কর, যার মধ্য কোরআন হাদিসের এর জ্ঞান ছাড়াও আধ্যাত্মিক জ্ঞান সম্পন্ন হেকমত ওয়ালা নেতার সাথে এগিয়ে যাও । আলেম মৌলানা, পীর সাহেব আর ইসলামের নাম দিয়ে মাঝ পথে পথ হারিয়ে যান, তাদের জন্য আমার গবেষণার একটা কথা মনে রাখবে (তাওয়াক্কুল করে বাহানার আশ্রয় আর বাহানা করে তাওয়াক্কুলে বুলি আওরাবেন না)।
হিন্দু ভাইদের বলছি এদেশের খেয়ে এদেশের ভালবাসা মনে ধারণ কর, এদেশের মানুষের সাথে বিশ্বাসের সাথে চলাফেরা কর, আমরা বাঙ্গালী এদেশই আমাদের ঠিকানা, নিজেদের ধর্ম কর্মে মুসলিম ছেলে-মেয়েদের টানবেন না।
বৌদ্ধ ভাইদের বলছি অন্য জাতির সাথে কট্টর মনোভাব মোটেই মনের কাছে রাখবে না, তোমাদের অহিংসা ধর্ম অনেক ভাল।
আসলে এই তাত্মিক কথা বলার মানে হচ্ছে তোমাদের মধ্যে তাত্মিক ব্যক্তিরা বিরাজ করছে প্রয়োজন ছাড়া দুনিয়ার ঝামেলা নিয়ে মুখ খোলেনা যা বলল তা সাধারণ মানুষের জন্য, মানুষের মনের কথা। সাধারণ মানুষ কি চায়, আর সরকারকে কি বুঝতে চাই, তোমাদের কারো শোনার সময় নাই বা চাওনা, সাধারণ মানুষ চায় একজন অস্বার্থপর যোগ্য নেতা, আর সেই নেতাকে খুঁজে নিতে দরকার স্বাধীনভাবে নিজের রায় জ্ঞাপন করা, তাদের নিজের নির্বাচিত নেতা যেন এই বাংলাদেশের সব মানুষের সবার ধর্ম আর সাংস্কৃতির সঠিক ভিত্তি ঠিক রেখে বিশ্বের অন্যান্য ধর্মাবলম্বী রাষ্ট্র, সংস্কৃতির সাথে তুলনা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সঠিক নীতি নির্ধারণ করতে পারে। আর বাঙ্গালী জাতিকে যেন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে পারে। এই জন্য প্রয়োজন সত্যিকারের নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে স্বাধীন ভাবে গণ রায় প্রদান করার সঠিক ব্যবস্থা। বাংলাদেশের সব মানুষ এখনও এমন বেঈমান হয়ে যায় নাই যেন স্বল্প সময়ের জন্য নির্দলীয় সরকারের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। আর যদি নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে লকি বৈঠা দাও চাপাতি লাঠি সোটায় নিজেদের দন্দ্বে অরাজগতা সৃষ্টি করো। তাহলে জাতি বুঝবে শাসন কালে তোমাদের খ্যাত কুখ্যাত আমলনামা নিয়ে পরবর্তী সরকারের সামনে দাঁড়াতে পারবে না। আর যদি বুঝেও না বুঝার প্রমাণ করতে চাও এদেশে আরেকটা জোনারেশন আত্মহুতি দেওয়ার অবস্থা দেখতে পাবে আর তা হবে ভয়াবহ নির্মম পরিণতি।সদা জাগ্রত বিশ্ববন্ধু এদেশে আসার পর তেমন বড় প্রাকৃতিক বিপদ এদেশে আল্লাহদেন নাই। তিন তিন বার ভূমিকম্প চলার ঠিক সময়েই তার আদরের ছোট ভাইকে ফোন করে সাবধান করেছিলেন, সাবধান থেকো মাটি কম্পুনি দিচ্ছে আর ভয় পেইওনা। আর তিনি ছিলেন একই চেয়ারে বসা, যেখানে বসে লিখছেন, আর একবার শোয়া থেকে উনি তোমাদের সবার দারোয়ানের কাজ করেছেন। বিশ্ব বন্ধু যখন কয়েক সেকেন্ড প্রাকৃতির বিপদের সময় ভাইকে ডেকে সাবধান করেছেন, এখন তোমরা নিজেদের তৈরী লোভ, হিংসা, গর্ভ, অহংকারে পুরা জাতিকে যে বিপদের দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছ তাই আল্লাহর নির্দেশে বিশ্ববন্ধু তোমরা সরকার, বিরোধী সরকারী সবাইকে ডেকে বলছেন, তোমরা সাবধান হও, এবার তোমাদের সন্তানদের সঠিক সঠিক তাওবাতিল্লা পাঠ করিয়ে এদেশের জন্য কাজ করতে নিয়ে আস, কার্পন্য একটুও করবে না, তাদের সুকাম দুকাম এর আমলনামা আমার হেপটোরিজম এর উচ্চু শক্তি (মন মোহন) দিয়ে পুরো জাতিকে দিয়ে ক্ষমা আর চলমান করিয়ে নেব। ২০০৮ সালের পর থেকে এ বিশ্বের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত ঘটে যাওয়া সমস্ত প্রাকৃতিক দূর্যোগ গুলির পেছনের কারণ গুলি একমাত্র বিশ্ববন্ধু আর আল্লাহই জানেন, সাধারণ কথায় দুনিয়ায় বিশৃঙ্খলার ভারসাম্য রক্ষার জন্য হয়েছিল। আর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী একটি জনপদ, জাতিকে শাস্থি দিতে মহান আল্লাহতালার এক পয়সাও খরচ হয় না, যদি এই পুরা সত্যি কথা গুলি বুঝে থাক, তাহলে তোমাদের বলিয়ান একে অন্যের সন্তানকে কোলে তুলে নিয়ে, তোমাদের দীর্ঘ জীবনের সু-অভিজ্ঞতা টুকু একটু একটু করে তাদের শিখিয়ে, বাংলাদেশে যুব নেতৃত্বের সুযোগ নিয়ে আস। আর বাংলাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত সুদুর দিগন্তের ওপার পর্যন্ত জাতির উপর অষ্পর্স কালো দৈত্যের হাত ছানি আর অপরিণত কানুনের সব নিশানা কেটে ছেটে ধুয়ে মুছে নিঃশেষ করে গুম করে ফেলার সাহস দিয়ে যাও। যদি করতে পার তাহলে এদেশে সুন্দর সুষ্ট নির্বাচন করার আর কোন সমস্যা থাকবেনা। তোমাদের মনই বলে দেবে দেশকে কিভাবে সুন্দর করা হবে। তবেই বাংলাদেশের মানুষ দৈনন্দিন জীবনের অস্থিরতা থেকে বেবিয়ে অনাঙ্কাতি বিপর্যয় আর বিপদ গামী থেকে বেছে যাবে। তোমাদের বিশ্ব বন্ধুর জন্য দোয়া রাখবে যেন বিশ্ব শান্তির জন্য বেশি করে প্রার্থনা করতে পারে।

লেখক ও গবেষক মোহাম্মদ ফেরদৌস খাঁন
পূর্ব দোহাজারী, চট্টগ্রাম।

 

পাস্তুরিত দুধ নিয়ে কারসাজি আছে কি না দেখা উচিত: প্রধানমন্ত্রী» « চান্দগাঁওয়ে ডোমখালী খালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু» « পাকিস্তানে সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহত ১৭, আহত ১২» « র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষণকারীর নিহত» « গুজব রটনাকারীদের ধরিয়ে দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর» « লামায় বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ» « কক্সবাজার শহর রক্ষায় ঝাউবন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর» « দেশের সব উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর» « সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের আশানুরূপ উন্নতি» « প্রাইভেটকারে করে এসে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, ৩ জনকে গণপিটুনি» «