চকরিয়ায় গণ পিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু

imagesবশির আল মামুন,চকরিয়া: কক্সবাজারের চকরিয়ায় জনতার পিটুনিতে গুরুতর আহত নুর আহমদ (৩৬) নামে ডাকাত দলের এক সদস্যের মৃত্যু ঘটেছে। ঘটনার ঘটনার পাঁচদিন পর শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত নুর আহমদ চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের হেতালিয়া পাড়া গ্রামের আবদুল বারির ছেলে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে উপজেলার চিরিঙ্গা-বাঘগুজারা সড়কের আমানচর এলাকায় জনতা ডাকাত সন্দেহে তিনজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে তাদেরকে পুলিশে সৌর্পদ করা হয়। বর্তমানে আহত অন্য দুইজন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চকরিয়া থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, গত ১৬ ফেব্রুয়ারী রাতে তিনজনকে আটক করে জনতা গণপিটুনি দেয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় চমেক হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় ভর্তি করা হয়। তিনি বলেন, গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আহতদের মধ্যে নুর আহমদ নামের একজন মারা গেছে। তবে অপর আহত আবদুল জব্বার ও রোকন উদ্দিন সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওসি বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে নুর আহমদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।পুলিশ জানায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে চিরিঙ্গা-বাঘগুজারা সড়কের আমান পাড়া এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে স্থানীয় জনগন তাদের প্রতিরোধে জড়ো হয়। ওইসময় জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গুলি করলে স্থানীয় আমির হোসেন (৫৫) নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়। পরে লোকজন ডাকাত সন্দেহে নুর আহমদ, আবদুল জব্বার ও রোকন উদ্দিনকে ধরে পিটুনি দেয়। সকালে আটক করা হয় আরো একজনকে। এ ঘটনায় চকরিয়া থানার এসআই সুখেন্দু বসু বাদি হয়ে পরদিন ১৭ ফেব্রুয়ারী থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে দুইটি মামলা দায়ের করেন।