বান্দরবানে অপহৃত স্কুল ছাত্রী রাঙ্গামাটি থেকে উদ্ধার গ্রেফতার: ১

unnamedমোহাম্মদ আলী,বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবান গার্লস হাইস্কুলের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী ছদ্ম নাম (মিশু) পিতা মনতাজ মিয়া গ্রাম বালাঘাটা বান্দরবান সদর। সে গত ১ শে মার্চ বিদ্যালয় ছুটি শেষে বাড়ী ফেরার পথে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলি গ্রামের বদিউল আলমের ছেলে মোর্শেদ প্রলোভনের মাধ্যমে অপহরন করে প্রথমে এ্কই উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামে নিয়ে তার এক আন্তিয়ের বাড়ীতে রাতযাপন করে ২ শে মার্চ উভয়ে রাঙ্গামাটি চলে যায়। অপহৃত মেয়ের পিতা মনতাজ মিয়া এই প্রতিবেদক কে জনান রাঙ্গামাটি থেকে অপহরন কারী মেয়ের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ২০ হাজার টাকা দাবী করলে মেয়ের পিতা তার মেয়ের নিকট বিকাশ নং চায়। তখন রাঙগামাটির একটি মোবাইল ফোনের দোকান হতে বিকাশ নং প্রদান করলে মনতাজ মিয়ার পরিচিত রাঙ্গামাটির একজন আওয়ামীলীগ নেতার মাধ্যমে মোবাইলের দোকানটি চিহ্নিত করে উভয়ে এই ব্যপারে সতর্ক হয়ে অপহরন কারীর ঠিকানা নিশ্চিত হয়। মনতাজ মিয়া জানান তার মেয়েকে অপহরন করার পর সে বান্দরবান সদর থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দায়ের করেন। তিনি তাৎক্ষনিক বান্দরবান সদর থানার একজন এসআই সহ পুলিশ নিয়ে রাঙ্গামাটি পৌঁচে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানার সহয়তায় তাদেরকে ধৃত করে বান্দরবান সদর থানায় নিয়ে আসে। এই রিপোর্ট লেথা পর্য্যন্ত ভিকটিমকে পরীক্ষার জন্য বান্দরবান হাসপাতালে এবং অপহরন কারীকে সদর থানায় জিঙ্গাসাবাদ চলছিল। বান্দরবান সদর থানা সুত্রে জানা যায় অতি সম্প্রতি শহরের কসাইপাড়া এলাকার একটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে একই এলাকার ইউনুসের পুত্র আবদুল্লাহ অপহরন করলে সদর থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদের নির্দেশে পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) আমির হোসেন সঙ্গিয় ফোর্স সহ তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ভিকটিম সহ অপহরন কারীকে আটক করে। মামলা নং৪ তাং ৪.৩.২০১৫। এছাড়াও অতি সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার মিলন ছড়ি নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে ২০৩ টি মারাতœক আগনেয়াস্ত্র একে ৪৭ এর গুলি উদ্ধার ও আসামী নিরোধ মুরুং সহ অপর ৩ জনকে আটক করে। মামলা নং১১ তাং২৭.০১.২০১৫। চলতি সনের মধ্যে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ ও পরিদর্শক(তদন্ত) আমীর হোসেন বিভিন্ন স্থানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কয়েক হাজার মরন নেশা ইয়াবা উদ্ধার ও ইয়াবা ব্যবসায়িকে আটক করতে সক্ষম হয়। বান্দরবান সদর থানার পুলিশের প্রসংশিত উদ্যোগের কারনে বান্দরবান সদরের আইনশৃংখলা এক রকম শুন্যের কোটায় বল্লেও চলে। এছাড়াও কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে আইন শৃংখলার যতেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে। মুলতঃ টুকটাক মাদক সেবন কারী ছাড়া অন্য কোন অপরাধ নাই বল্লেও চলে। তাদের তৎপরতার কারনে শহর থেকে পতিতাবৃত্তিও শেষ হয়েছে। একারনে এলাকার স্বচেতন নাগরিক সমাজ সদর থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন