নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন বিষয়ে ড. হাছান মাহমুদের ব্যাখ্যা

indexনিজস্ব প্রতিবেদক: গত কয়েকদিনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সভা সমাবেশে আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাবেক পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের বক্তব্যে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলে চট্টগ্রামের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলমের পক্ষ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদের পক্ষে একটি ব্যাখ্যা পাঠিয়েছেন তার একান্ত সহকারী এনায়েতুর রহিম।
লিখিত ব্যাখ্যায় বলা হয়, প্রকৃত অর্থে গত কয়েকদিন চট্টগ্রামের বিভিন্ন সভা সমাবেশে ড. হাছান মাহমুদ সদ্য বিদায়ী মেয়র এম মনজুর আলমের সাফল্য-ব্যর্থতা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন মাত্র। নির্বাচনী বিধিমালায় এমন কোন নিষেধাজ্ঞা নেই যে, কোন প্রার্থীর সাফল্য ব্যর্থতা সম্পর্কে আলোচনা সমালোচনা করা যাবে না। দেশের যে কোন নাগরিক যে কোন প্রার্থীর অতীত সাফল্য ব্যর্থতা সম্পর্কে আলোচনা সমালোচনা করার অধিকার সংরক্ষন করেন এবং বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নির্বাচনে তা হয়ে আসছে। ড. হাছান মাহমুদ কোন সভা সমাবেশে মেয়র পদপ্রার্থী মনজুর আলমের বিরুদ্ধে অশালীন, উসকানিমূলক এবং ব্যক্তিগত চরিত্রহননমূলক অথবা নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘিত হয় এমন কোন বক্তব্য প্রদান করেননি। চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং নগরীর ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করার ক্ষেত্রে মনজুর আলমের চরম ব্যর্থতা এবং সিটি কর্পোরেশন পরিচালনায় ব্যর্থতার বিষয়টি বিভিন্ন সভা সমাবেশে আলোচনা করেছেন ড. হাছান মাহমুদ।ড. হাছান মাহমুদের পক্ষে প্রদত্ত ব্যাখ্যায় তার একান্ত সহকারী এনায়েতুর রহিম বলেন, মেয়র প্রার্থী মনজুর আলম চট্টগ্রামসহ আশেপাশের এলাকায় পেট্রোলবোমা হামলাসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ডের অর্থ যোগানদাতা এবং মেয়র হিসেবে পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনকানে তিনি চট্টগ্রামকে একটি জলাবদ্ধ নগরীতে পরিণত করেছেন। গত সোমবার মাত্র ২ ঘন্টার বৃষ্টিতে পুরো চট্টগ্রাম মহানগরী হাঁটু পানিতে তলিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে মেয়র মনজুর আলমের ব্যর্থতার বিষয়টি চট্টগ্রাম নগরবাসীর কাছে নতুন করে দৃশ্যমান হয়েছে। মেয়র প্রার্থী মনজুর আলম তার অপ-কর্মকান্ড এবং অতীত ব্যর্থতা আড়াল করতেই ড. হাছান মাহমুদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। এই ব্যাখ্যার একটি কপি চট্টগ্রামের রিটার্নিং অফিসারের কাছেও পাঠানো হয়েছে।