মর্নিংসান২৪ডটকম Date:০৪-০৫-২০১৫ Time:৭:৪৯ অপরাহ্ণ


carএইচ.এম.সুমন চৌধুরী,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে ৬৫ শতাংশ যানবাহনের নেই বৈধ কাগজপত্র। তারপরও এসব যানবাহন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সড়ক-মহাসড়ক। বিআরটিএর হিসাবে চট্টগ্রামে বৈধ যানবাহন আছে দেড় লাখের বেশি। এর মধ্যে প্রায় ৩৭ হাজারের ফিটনেস নেই। এর বাইরেও লক্ষাধিক যানবাহন নগরীতে চলাচল করছে। যেগুলোর বিআরটিএর অনুমোদন নেই। ট্রাফিক ও থানা পুলিশকে মাসিক হারে মাসোয়ারা দিয়ে ওইসব যানবাহন সড়কে চলাচল করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে কয়েকটি মামলা দেয় পুলিশ।
বিআরটিএর সহকারী পরিচালক শেখ মো. রোকন উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম জেলা এবং মহানগরীতে ১ লাখ ৬২ হাজারের বেশী যানবাহন বিভিন্ন সড়কে চলাচল করছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ৫৭ হাজার , অটোরিকশা ৪৫ হাজার ৬৮টি, অটোটেম্পো ৩ হাজার ৩৩০টি, মোটরকার ২৬ হাজার ২৭৭টি, মোটরজিপ ২ হাজার ২৬টি, মাইক্রোবাস ১২ হাজার ৯৭৯টি, পিকআপ ৫ হাজার ৫৭৪টি, বাস/মিনিবাস ৪ হাজার ৮৬৫টি, হিউম্যানহলার ১ হাজার ৫০৩টি, ট্রাক ও অন্যান্য ১১ হাজার ৩২১টি। নিবন্ধিত এসব গাড়ির মধ্যে ৩৮ হাজার ৮২০টির বর্তমানে ফিটনেস নেই। তার মধ্যে মহানগরীতে ৩০ হাজার ৩১৪টি এবং জেলায় রয়েছে ৯ হাজার ৪৯৬টি। চট্টগ্রামে ৮৫ হাজার জন চালককে লাইসেন্স দিয়েছে বিআরটিএ। এর মধ্যে মহানগরীতে ৫৫ হাজার ৯২৭ ও জেলায় রয়েছে ৩০ হাজার জন চালকের।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রামে বৈধ ও অবৈধ মিলে প্রায় আড়াই লাখ যানবাহন রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ যানবাহনের বিআরটিএ কর্তৃক কোনো অনুমোদন নেই। এসব যানবাহনের মধ্যে রয়েছে ব্যাটারিচালিত টমটম, টুকটুকি টেম্পো, ২০ হাজার নম্বরবিহীন সিএনজি অটোরিকশা। অপর ৬০ শতাংশ যানবাহনের মধ্যে ২৫ শতাংশ যানবাহনের রুট পারমিট, ফিটনেস, বীমাসহ অন্যান্য কাগজপত্রে কোনো না কোনো ক্রটি রয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাসহ সামান্য কিছু গণপরিবহন রয়েছে যেগুলোর কাগজপত্র সময়মতো নবায়ন করা হয়। এ ধরনের যানবাহনের সংখ্যা মাত্র ৩৫ শতাংশ। বিআরটিএর বিশেষ অভিযানের কারণে অবৈধ নম্বরবিহীন সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে নৈরাজ্য : এদিকে নম্বরবিহীন সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে নগরীতে চলছে চরম নৈরাজ্য। ওইসব সিএনজি অটোরিকশা বিভিন্ন শ্রমিক মালিক সংগঠন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) এবং সার্জেন্টের টোকেন নিয়ে সড়কে চলাচল করছে। নগরীর নম্বরবিহীন অটোরিকশাগুলোকে ট্রাফিক পুলিশ যাতে হয়রানি না করে সেজন্য উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যার রিট মামলা নং-১১৫৯৪। আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে পুঁজি করে চট্টগ্রাম অটোরিকশা অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়ন নামে একটি সংগঠন ও ট্রাফিক পুলিশ প্রতি মাসে কোটি টাকার বাণিজ্য করছে। নামসর্বস্ব কিছু পত্রিকার স্টিকার ব্যবহার করে নম্বরবিহীন ৪০০ সিএনজি অটোরিকশা নগরীতে চলাচল করছে বলে ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বেবিট্যাক্সি ড্রাইভার সহকারী শ্রমিক ইউনিয়নের নামেও চলছে শতাধিক সিএনজি। চট্টগ্রাম অটোরিকশা অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের কয়েকজন চালক চানিয়েছেন, শুধু নম্বরবিহীন সিএনজি অটোরিকশা চালানোর জন্য তারা এ সমিতিতে ভর্তি হয়েছেন। এজন্য তাদের ভর্তি ফি বাবদ দিতে হয়েছে এককালীন ৫ হাজার টাকা, প্রতি মাসে দিতে হচ্ছে ৩ হাজার টাকা করে।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম অটোটেম্পো অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হারুন জানান, সমিতির নামে ১৭শ গাড়ি সড়কে চলাচল করছে। এসব গাড়িকে রেজিস্ট্রেশন না দেয়া পর্যন্ত ট্রাফিক পুলিশ যাতে হয়রানি না করে সেজন্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ডিসি ট্রাফিক (বন্দর) মো. সুজায়েত ইসলাম জানান, বিআরটিএর বিশেষ অভিযান ছাড়াও প্রতিদিন ট্রাফিক পুলিশ অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, মামলা দিয়ে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। তবে ট্রাফিকের কোনো টিআই কিংবা সার্জেন্ট টোকেন দিয়ে অবৈধভাবে টাকা আদায় করার অভিযোগ আসেনি।

পাস্তুরিত দুধ নিয়ে কারসাজি আছে কি না দেখা উচিত: প্রধানমন্ত্রী» « চান্দগাঁওয়ে ডোমখালী খালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু» « পাকিস্তানে সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহত ১৭, আহত ১২» « র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষণকারীর নিহত» « গুজব রটনাকারীদের ধরিয়ে দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর» « লামায় বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ» « কক্সবাজার শহর রক্ষায় ঝাউবন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর» « দেশের সব উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর» « সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের আশানুরূপ উন্নতি» « প্রাইভেটকারে করে এসে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, ৩ জনকে গণপিটুনি» «