পটিয়ায় মেসার্স বারি এগ্রো ফার্মের ব্রি ৬৮/৬৯ প্রজাতির ধানের বাম্পার ফলন

Bari Agro potiya.docচট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নস্থ হরিণ খাইন গ্রামে মেসার্স বারি এগ্রো ফার্মে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিইট কর্তৃক উদ্ভাবিত নতুন প্রজাতির ব্রি ৬৮/৬৯ ধানের চাষ করে ব্যাপক বাম্পার ফলন হয়। এই ধান ৬৮/৬৯ শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠান গত রবিবার আয়োজন করেন মেসার্স বারী এগ্রো ফার্ম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বজলুল বারী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ-সম্পাদক দিদারুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, পটিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা লঘুনাথ নাহা, পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ বেলাল উদ্দীন, ব্যাংকার নুর মোহাম্মদ, ইউপি মেম্বার শওকত আকবর, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রমজান আলী, আওয়ামী লীগ নেতা সালেহ আহমদ, কৃষি প্রতিনিধি এহলাস মাঝি, মোঃ আলমগীর, ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী, মোঃ ইউসুফ, মোঃ হারুন, আকবর আলী চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম কালু, আলী আজগর চৌধুরী প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তিন তিনবার সফল কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী নিরলস প্রচেষ্ঠায় বাংলাদেশে কৃষি খাতে ভুতর্কির মাধ্যমে যে প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রেখেছেন তারই ধারাবাহিকতায় মেসার্স বারী এগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি একজন ব্যাংকার হওয়া সত্বেও কৃষি খাতে যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে বাম্পার ফলন সাধিত করেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং এলাকার কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। আমি তাহার উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। সভাপতির বক্তব্যে বারী এগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বজলুল বারী চৌধুরী বলেন, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ কেন? পিছিয়ে থাকবে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সফল কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পটিয়ার মাটি ও মানুষের নেতা আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সচিব ইউনুসুর রহমানের একান্ত প্রচেষ্ঠায় নতুন নতুন কর্মসূচি নিয়ে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা কর্তৃক উদ্ভাবিত নতুন জাতের ব্রী ধান ৬৮/৬৯ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডারেক্টর জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস এবং ড. তমাল লতা আদিত্য, ড. হেলাল উদ্দিন সাহেবের মাধ্যমে আমাকে ধানের বীজ প্রদান করেন এই বীজ উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে যেমন মান সম্মত বীজের ব্যবহার, এক চারা পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপন, সারিবদ্ধভাবে ধানের চারা রোপন, লগভ পদ্ধতি ব্যবহার, সুষম মাত্রায় সারের ব্যবহার, গুড়ি এরিয়ার ব্যবহার, পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে বাম্পার ফলন সাধিত হয়েছে যা হেক্টর প্রতি ৭-৮ টন ফলন হয়েছে। এটি পটিয়া তথা চট্টগ্রামের মধ্যে প্রথম। এই ধানের বীজ সুষ্টভাবে সংরতি করে আগামীতে পটিয়া তথা চট্টগ্রামে প্রতিটি থানায় সরবরাহ করার অঙ্গীকার করিতেছি।
পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের হরিনখাইন এলাকার কৃষি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারী এগ্রো ফার্মের উদ্যোগে ২৬০ শতক জমিতে নতুন প্রজাািতর ধান ব্রি ৬৭/৬৯ ধানের পরীামুলক চাষ করা হয়। প্রাথমকিভাবে এ চাষে ব্যাপক বাম্পার ফলন হ্ওয়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। প্রতিকানি জমিতে ১২৩ আড়ি ধান উৎপাদন হয়। যা সাধারন ধানের চেয়ে ২/৩ গুন বেশী। উল্লেখ্য ব্রি ধান ৬৮ প্রজাতি হেক্টর প্রতি ৭.৩টন তবে উপযুক্ত পরিচর্যা হলে ৯.২ টন পর্যন্ত উদপাদন হয়। ব্রি ধান ৬৯ প্রজাতির ধান গতে হেক্টও প্রতি ৭.৩টন উৎপাদন স্বভাবিক ভাবে হয়। তবে পরিচর্যা ভাল হলে ৯ টন পর্যন্ত হয়ে বলে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ই্নস্টিটিউট তথ্য সূত্রে জানাযায়।