১৯শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং, ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

সম্মিলিত ব্যাংকার ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন

Saturday, 09/05/2015 @ 2:56 pm

indexচট্টগ্রাম অফিস: বিশ্বের প্রতিটি দেশের মতো বাংলাদেশেও ব্যাংক ব্যবস্থা অত্যন্ত নিরাপদ প্রতিষ্ঠান। স্বাধীনতার পর থেকে আজ অবধি সকল নৈতিক নিরাপদ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাংক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জননিরাপত্তার সাথে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার জন্য সরকার ঘোষিত কেন্দ্রিয় ব্যাংক কর্তৃক অনেক নির্দেশনার ব্যবস্থা বর্তমান। তা সত্ত্বেও দিন দিন হত্যা, লুন্ঠন, ডাকাতির মতো চরম সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আমাদের সামাজিক ব্যবস্থাকে নিরাপত্তাহীন এবং চরম ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই অনিরাপত্তা এবং ঝুঁকি দিন দিন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমূহ সন্ত্রাসী ও ডাকাত দলের প্রধান টার্গেটে পরিণত হয়েছে। যার দরুন ব্যাংকারদের লাশ হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদে লুটতরাজ ও ডাকাতদের সকল অন্যায় অত্যাচার ধুলিসাৎ হয়ে যাবে। শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস কাব চত্বরে সম্মিলিত ব্যাংকার্স ঐক্য পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মছরুর হোসেন উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ আমির হোসেন এর সঞ্চালনায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন কবি ও সাংবাদিক অরুন দাশ গুপ্ত, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, মানবাধিকার সংগঠক আমিনুল হক বাবু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, বীরমুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন মুজিববাদী, বিশিষ্ট ব্যাংকার পারভেজ রিফাত, শরফুদ্দীন রাজু, ফয়সল শেখ কোরেশী, মো: দিদারুল আলম, এস.এম. আবুল বরকত আকাশ, জয়দেব কুমার ভৌমিক, এডভোকেট মিলি চৌধুরী, সাংবাদিক ফারুক তাহের ।
বক্তারা আরো বলেন, প্রতিনিয়ত ডাকাতির ঘটনার সূত্রপাত ধরে গতকালও আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের নিরাপত্তা রক্ষীকে নির্মমভাবে হত্যান্ডের প্রতিবাদ জানান। এছাড়াও সম্প্রতি বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের আশুলিয়ার কাটগড়া শাখায় ডাকাতদের লুটের ঘটনায় নিহত হয়েছে ঐ শাখার ম্যানেজার ওয়ালিউল্লাহ, নিরাপত্তাকর্মী বদরুল, গ্রাহক ও ছাপাখানার ব্যবসায়ী পলাশসহ অনেকে। এসব হত্যাকান্ডে সারাদেশ হতবাক ও বিষ্মিত। এ ঘটনার সুষ্ট তদন্ত সাপেক্ষে দায়ী ব্যাক্তিদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দাবী করেন এবং ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান। এতে আরো বক্তব্য রাখেন ব্যাংকার রওশান আরা, নাজিম উদ্দিন, মিজানুর রহমান, আকতার হোসেন, সৈকত সাহা, শফিকুল ইসলাম, সাইফুদ্দিন মামুন, মো: নুরুন নবী, মো: শরফুদ্দীন রাজু, মোফাচ্ছল চৌধুরী মানিক শাহ, জাহিদুল ইসলাম তানছির, মোরশেদ আলম, মো: জোবায়ের, নুসরাত জাহান, সাবরিনা খানম, মুনতানিসর বিল্লাহ খান, কাজী ওমর ফারুক, শেখ শহিদুল ইসলাম, সাইফুৃল আলম, বিষ্ণপদ পাশ, কার্তিক রঞ্জন শীল, আবদুল কাদের, মো: জালাল উদ্দিন, শাসন বডুয়া, খোরশেদ কাদের চৌধুরী, নুরুল আমীন, মিজানুর রহমান জুয়েল প্রমূখ। উল্লেখ্য উক্ত মানববন্ধনে চট্টগ্রামে ৪১টি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।