রাব্বী হত্যা মামলায় চারজন গ্রেফতার

imagesচট্টগ্রাম: নগরীর লালখান বাজার এলাকার গ্রীন ডেল্টা হাউজিং লিমিটেডের নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে রাব্বী নামক এক যুবকের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গোয়েন্দা পুলিশ বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে ।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন- শরিফ ওরফে সুন্দরী শরিফ, রাজু, সোহাগ ও টেম্পো শরিফ।

গত ৩০ মে বিকেলে লাশটি উদ্ধারের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, ‘রাব্বী নামের এক যুবককে খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে এ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ’

এরআগে লাশ উদ্ধারের তিনদিন আগে রাব্বী ও খোকন নামের দুই বন্ধু নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় খোকনের বোন মমতাজ বেগম গত ২৯ মে খুলশী থানায় একটি জিডি (নং – ১২৫৮) দায়ের করেন। তাতে লেখা খোকন বোনের সাথে থাকতো । খোকনের বন্ধুরাও বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করে। তবে অজ্ঞাত কারণে রাব্বীর কোন খোঁজ করে নি তারা।

৩০ মে উদ্ধার হওয়া আনুমানিক ২৬ বছর বয়সী যুবকের পরনে সাদা-কালো চেকের থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত লাশটি দেখে সেটি রাব্বীর লাশ বলে শনাক্ত করে তার মা ঝর্না বেগম। স্থানীয়দের কাছ থকে খবর পেয়ে পোড়া কলোনীতে গ্রীন ডেল্টা হাউজিং লিমিটেডর নির্মাণাধীন একটি ভবনের নিচ তলা থেকে লাশটি পুলিশ উদ্ধার করে।

সেসময় ঝর্না বেগম সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেছিলেন, খোকনই তার ছেলেকে খুন করে গা ঢাকা দিয়েছে। কারণ নিখোঁজ হওয়ার আগের দিনও সে খোকনের সাথে একসাথে তার বাসায় ছিল।

এদিকে গত শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে ফজলে রাব্বির বাবা হেলাল মন্ডল লাশটি নিয়ে বগুড়ার গ্রামের বাড়িতে দাফন করেন।

জানা যায়, লালখানবাজার মমতা ক্লিনিকের অদূরে গ্রীণ ডেল্টা হাইজিং লিমিটেডের নির্মাণাধীন ভবনটির চারপাশে টিনের ঘেরা রয়েছে। শুধু তাই নয় ঐ ভবনের সামনে সবসময় খোকন ও তার বন্ধুরা আড্ডা দেয়। এমন একটি স্থানে রাব্বীর লাশ পাওয়া যাওয়া কিংবা খোকনের খোঁজ না পাওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছে এলাকাবাসী ।