সাকার আপিলের রায় ২৯ জুলাই

saka54_73387

নিজস্ব প্রতিনিধি:
২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সাকা চৌধুরীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একই বছরের ২৯ অক্টোবর খালাস চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন তিনি। তবে সর্বোচ্চ সাজা হওয়ায় আপিল করেননি রাষ্ট্রপক্ষ।ট্রাইব্যুনালে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট ২৩টি অভিযোগের মধ্যে ১৭টির পক্ষে সাক্ষী হাজির করে রাষ্ট্রপক্ষ। এর মধ্যে মোট নয়টি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ট্রাইব্যুনালের রায়ে। বাকিগুলোতে তাকে খালাস দেওয়া হয়।
এদিকে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর (সাকা) আপিলের রায় আগামী ২৯ জুলাইয়ে দেওয়ার দিন ধার্য করেন।
মঙ্গলবার আপিল শুনানি শেষ হওয়ায় পর এ দিন ধার্য করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার প্রথমে আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এসএম শাহজাহান। এরপর এর জবাবে রাষ্ট্রেপক্ষে সমাপনী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সবশেষে খন্দকার মাহবুব হোসেনের জবাবের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সাকা চৌধুরীর আপিল শুনানি।
এর আগে সোমবার সালাউদ্দিন কাদেরের আপিল শুনানি মুলতবি করে আদালত এ আদেশ দেন। গত বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষ হয়।
এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধে যতজনের বিরুদ্ধে আপিলের রায় হয়েছে দুই জন বাদে বাকি সবার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল ছিল।
কাদের মোল্লাকে ট্রাইব্যুনালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হলেও আপিলে ফাঁসি দেয়া হয় এবং সাঈদীকে ট্রাইব্যুনালে ফাঁসি দেয়া হলেও আপিলে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এর আগে ৮ কার্যদিবস আদালতে আপিলের পেপারবুক উপস্থাপন করেন সাকা চৌধুরীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এস শাহজাহান।

গত ১৬ জুন সাকা চৌধুরীর আপিল মামলার শুনানি শুরু হয়। প্রথমে ট্রাইব্যুনালের রায়, সাক্ষীদের সাক্ষ্য এবং রায় সংক্রান্ত নথিপত্র (পেপারবুক) উপস্থাপন করেন আসামিপক্ষ।