আন্দোলন থেকে সরে এসেছে চবি ছাত্রলীগ

আন্দোলন থেকে সরে এসেছে চবি ছাত্রলীগ
আন্দোলন থেকে সরে এসেছে চবি ছাত্রলীগ
আন্দোলন থেকে সরে এসেছে চবি ছাত্রলীগ

চট্টগ্রাম অফিস: রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত না হতেই একসাথে সংবাদ সম্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশকে দোষারোপ করেছিলেন বিবাদমান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। সংবাদ সম্মেলনে দাবি আদায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। এমনকি সাংবাদিকদের কাছে আগামীকাল বুধবার থেকে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু সেই আন্দোলন থেকে সরে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু বলেন, ‘আগামীকাল থেকে কোনো আন্দোলন হচ্ছে না। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে করে ১০ তারিখ পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। তবে এর মধ্যে প্রশাসন আমাদের সাথে অনেকবার বসতে চেয়েছে কিন্তু আমাদের অনেক ভাই মেডিকেলে আর কারাগারে থাকায় তাদেরকে নিয়মিত সময় দিতে হচ্ছে। তাই এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে বসা হয়নি। তবে আগামীকাল থেকে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আর কোনো আন্দোলন হচ্ছে না।’

গত ২ নভেম্বর ভর্তিচ্ছুদের স্বাগত জানাতে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী ১০ জনের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করে দুটি অস্ত্র মামলা ও ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে পুলিশের ওপর হামলার মামলা দায়ের করে। এ পর্যন্ত ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি প্রক্টর হেলাল উদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান করে অপর দুই সহকারি প্রক্টর মিজানুর রহমান ও শহীদুল ইসলামকে সদস্য করে একটি কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংঘর্ষে সরাসরি জড়িত থাকায় দু’জনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমায়িক বহিষ্কারও করে।