ঝুঁকিপূর্ণ পরিবহন ও পরিবহন আইনের বাস্তবায়ন কতটুকু?

ঝুঁকিপূর্ণ পরিবহন ও পরিবহন আইনের বাস্তবায়ন কতটুকু?
ঝুঁকিপূর্ণ পরিবহন ও পরিবহন আইনের বাস্তবায়ন কতটুকু?

নিজস্ব প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় ভাড়ায় চালিত অনেক গাড়ীতে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রী পরিবহন করে চলেছে। যে গাড়ীতে রয়েছে ৫০ জন যাত্রীর ধারণ ক্ষমতা সে গাড়ীতে উঠায় ১০০-১৫০ জন যাত্রী। গাড়ীর ভিতরে বাহিরে যাত্রীদের মরমর অবস্থা দেখে মনে হয় এই যেন দূর্ঘটনায় পতিত হবে, এই যেন প্রাণ যাবে।

চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত নবাব সিরাদৌল্লা রোড দক্ষিণ চট্টগ্রামের আরকান সড়ক, উত্তর চট্টগ্রামের কাপ্তাই সড়ক, অক্সিজেন টু হাটহাজারীর ব্যস্ততম এই সড়কগুলোতে গাড়ি চলাচলে নেই কোন নিয়মনীতির বালাই। সরকারি নির্দেশনা যাত্রী, গাড়ী কর্তৃপক্ষ ও গাড়ীর ড্রাইভার ও সহকারীরা মানছে না। যার ফলে প্রতিদিন বেড়েই চলছে সড়ক দূর্ঘটনা।

পটিয়া থেকে আসার পথে দেখা যায় বিআরটিসির একটি বাসের পেছন সাইট দিয়ে রড ধরে যাত্রীরা অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণভাবে শহরের দিকে আসছে। এমনিতেই দেখা যায় কোন না কোন সড়ক দূর্ঘটনায় যাত্রী অথবা পথচারী মারা যাচ্ছে। বিআরটিসি বা বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ এসব দূর্ঘটনার কোন দায়-দায়িত্ব নেয় না। অন্যদিকে ভাড়ায় চালিত সিএনজি অটোটেক্সিতে মিটার সংযোজন ও মিটার হিসেবে চালানোর বা ভাড়া আদায়ে সরকারি যে নির্দেশনা তা সিএনজি অটোটেক্সি ড্রাইভার বা মালিকপক্ষ কোন তোয়াক্কাই করে না।

এ ব্যাপারে জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন জানান সরকার জনস্বার্থে অনেক আইন করলেও যে আইন সমন্ধে সাধারণ নাগরিকরা জানেন না এবং বুঝেন না। এ ব্যাপারে বিআরটিএ এবং বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গির্জায় জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে জনস্বার্থে উপস্থাপন করলে তা সাধারণ যাত্রীকল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে এবং সাধারণ যাত্রীরা সরকারি পরিবহন আইন সম্বন্ধে জানতে পারবে। তাতেই সড়ক দূর্ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।